Sunday, June 3, 2012

kobirer golpo (aro ekTu)

এক সুস্থতা আছে, কবির যাকে ঘৃণা করে।
পরিপূর্ণ ঘর। পরিপূর্ণ লবি। পিপহোল। গোল গোল লাগে তাকালে সব কিছু

আজকে আকাশ গোল। এক ফোঁটা মেঘ নেই। নতুন পাতা ঝিলমিল করছে। এই কিম্ভুত নীল আর সবুজ। এছাড়া তেমন করে ভাল লাগার কিছু নাই।

টিউলিপ বাগান, যেদিকে সাবধানে প্রমাণ স্থির হবে আরো

আয়নার উপর বাষ্পগুলি একটা মুখের দিন গোনে

উত্তর দিকে ছেড়া ছেড়া অচেনা ভাষার সংলাপ। বাতাস নাই। গুমোট গরম। মে মাসের গরম। তিনটি কিশোর নিজেদের মধ্যে বল পাস করছে। ওদের সাথে কথা বলতে ইচ্ছা হয় কবিরের। কিন্তু বলা হয় না। গজাল দিয়ে পিপহোল ভাঙতে ইচ্ছা করে।


মিমাংসা এবং মিমাংসা
নিষ্পত্তি, এবং নিষ্পত্তি
সুরাহা, এবং সুরাহা

বৃষ্টির মতো, বৃষ্টির থেমে যাওয়া
অনেক উপর থেকে নেমে আসে

টিউলিপ চলে যায় বাষ্পঢাকা আয়নার দিকে। একটা বিখ্যাত স্নান।
অনস্বীকার্য ঘ্রানবিনিময়।  কবির গজাল খোঁজে, খুঁজতে খুঁজতে টের পায় ছড়িয়ে পড়ছে

মেনে নাও যে ছড়িয়ে পড়ছে। তাদের নতুন নতুন কান্ড পল্লব
মেনে নিতে শেখো,
গভীরতম সত্য কখনো বস্তু হয়ে উঠতে পারে না। গভীরতম কান্না
কখনো অশ্রু হয়ে উঠতে পারে না।
সব কিছু ডুবে যেতে দিয়ে নিজের ভিতর

তাকিয়ে থাকে ব্যাধি। সব কিছু ভেসে উঠছে...
অনেক পতন দূরে
অনেক পতন দূরে
অল্প নিষ্পাপহালকা কথায় বলে ফেলা

ধাতু ডুবে গেলো

নতুন পাতা আসেসীসার খোপে নেমে যায় রেণু মুকূল আরো ভাল হতে পারতো

++++

ধারণার মতো হাস্যকর
সম্পূর্ণতা চোখ লাগে পীড়া দিয়ে যায়...

দ্বীপ, বা একটা ঘটনা
এমন তো নাও হতে পারতোকবির সব বোঝে
কিন্তু যোগাযোগ করে উঠতে পারে নাতার বিচ্ছিন্নতা ব্যাধির মতো সহজাত
অপারগ

সাইকেল তুলে চলন্ত গাড়ির দিকে ছুঁড়ে মারে একটি কিশোর
সব কিছু নিজের ভিতর ডুবে যেতে দিয়ে
অসহায় সেতারের সুরঅসহায় আপন করে নেয়া
একটা ছিপি আঁটা সোডার বোতল আস্তে আস্তে ঝাঁকাতে থাকে

+++++

কবির ফিরে এসে পাউরুটি খায়। যেমন করে এক একটা ছন্দমিল তৈরি হতো কৈশোরের কবিতায়। বিষন্ন সন্ধ্যার প্রতি, বৃষ্টির দুপুরের প্রতি। সবই তো বাস্তব। তবু শব্দের মধ্যে জলজ্যান্ত ছবি
রংতুলির মধ্যে জলজ্যান্ত শব্দ।

কারো মনরঞ্জনের ক্ষমতা কবিরের নেই। বাগানগুলো তছনচ করে ফেলতে চায়। কিম্ভুত নীল আর সবুজ ভাল লাগে। জ্ঞানত। কেউ বোঝে না, আবার সবাই বোঝে।

জ্ঞানত, মানে কারো কাছে...
কবির যখন খুঁজছে, কবির যখন একটা তালিকা দিয়ে আরেকটা তালিকা বানায়
বুদ্ধি আর ছলনা
ম্যাজিকের নির্দোষ ধোকাবাজি...
একটা পাথর ফেলেছিল দুপুরবেলা পুকুরের স্বচ্ছ পানিত

ফিরেও দেখো না
ফিরেও দেখো না

পাথরটা ডুবে যাচ্ছিল। সেই দৃশ্য ভাসে চোখের সামনে।
যেন সত্যি ডুবে গেলো...

কবির আয়নায় চোয়াল হাতড়ায়। নাকের ফুঁটার দিকে তাকিয়ে থাকে হা করে। যে দাঁতগুলো তুলে ফেলেছে সেখানে সেখানে গর্ত। দুই পাশের ভাল দাঁতগুলি দিন দিন আলগা হচ্ছে। গর্ত বুজিয়ে তুলতে চাইছে 

Monday, May 28, 2012

Dambarudhar's take on the postal department


ভিজা বাতাস বহে মৃদু মৃদু
ডোবার সৌরভ পাদুপাদু

ভিজা বাতাস মৃদু বহিতেছিল । ভেকগণ জলমাঝে গনোরিয়া -গনোরিয়া খেলিতে ছিল । সরোজিনী ঘোষবাবুদের রাজহাঁস চুরি করিতেছিল । দূর্লভী বাগদিনি আট-হাতি মুর্শিদাবাদী গামছায় তনু ঢাকিয়া প্রাচীরে সশব্দে ঘুঁটে দিতেছিলেন । অরণ্যদেব শসার টুকরা শেষ করিয়া  মাঝে মাঝে তৃষিত নয়নে শসার বাটির দিকে নজর দিতেছিলেন,  দীর্ঘশ্বাস মোচন করিতেছিলেন, এবং উদাস রূপে বিচী চুলকাইতে ছিলেন । ডম্বরুধর এক চক্ষে সরোজিনী অপর নয়নে দূর্লভীরে ব্যালেন্স করিতে করিতে শসা চিবাইতেছিলেন ও শসার বাটি আগলাইতেছিলেন । ডম্বরুধরের বয়স নব্বই, চেহারা নেগেটিভ  মাকাল ফলের ন্যায়,  ঘোর কৃষ্ণবর্ণ ও সারাজলাভাবে যারপরনাই শুষ্ক । দীর্ঘকাল তাম্বুলসেবনহেতু তাঁহার ওষ্ঠাধরের সংযোগস্থলে দুইটি শাদা লম্বা দাগদেখিলে মনে হয় সেরেস্তার কাগজভক্ষণ করিয়া দুইটি শুঁয়াপোকা শ্বেতআমাশাক্রান্ত হইয়া বিষ্ঠাত্যাগ করিতে করিতে হড়কাইয়া নামিয়া গেছেন  ।  অরণ্যদেবের চেহারা বা বয়েস মুখোসের আড়ালে প্রতীয়মান হয় না, তবে দিব্য বোঝা যায় মুখোসটির বয়স বেশ খানিক হইয়াছে । কথিত, এই সুন্দরবন সংলগ্ন জনপদে প্রাক্তন অরণ্যদেব ( কীট) ও ডায়ানাপূত্র নব্য অরণ্যদেব মগ জলদস্যুদের মোকাবিলায় আসিয়া  স্থানীয় সুন্দরী বায়না আলম-এর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হইয়া লভ ম্যারেজ করেন ও পাকাপাকি ভাবে এই দেশে রহিয়া যান  । অরণ্যদেব বিবি বায়নার নিমিত্তে সকাল হইতে ডোবা সংলগ্ন জংলাএলাকা হইতে এক বোঁচকা হিঞ্চে ও কলমী শাক তুলিয়া বাতে কাবু হইয়াছিলেন । তদুপরি তাঁহার একমাত্র পোশাক উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত পাতলুন ও জাঙ্গিয়া দীর্ঘকাল সাবাং-এর মুখ দেখে নাই এবং বাঙ্গালামুলুকের আদ্র জলহাওয়ায় তা ঘামিতে ঘামিতে, দৈহিক নিঃসরণের সাথে মিলিয়া মিশিয়া আনাচে কানাচে প্রস্তরের ন্যায় হইয়া উঠিছে । ফলে কুঁচকিতে দাদ । অরণ্যদেব তাঁহার অঙ্গুরীয়দ্বয় বন্ধক রাখিয়া দাদের মলম কিনিয়াছিলেন  এক বেটা ডুপ্লিকেট ঢোল কোম্পানীর মলম, বিশেষ সুরাহা হয় নাই । বাত ও দাদে যার পর নাই ব্যাতিব্যস্ত অরণ্যদেব ডম্বরুর কাছে প্রতিকারের নিমিত্তে হাজির হওয়ায়  ডম্বরু তাঁহাকে সাদর সম্ভাষণে খাটিয়াতে বসিতে দেন ও নিজ বাটি হইতে এক কুচি শসা অফার করেন । শসার কুচি বেমালুম হজম হইয়া গিয়াছে । ডম্বরুধর এক চক্ষে সরোজিনী অপর নয়নে দূর্লভীরে ব্যালেন্স করিতে করিতে শসা চিবাইতেছেন ও শসার বাটি আগলাইতেছেন । দূর্লভী বাগদিনি আট-হাতি মুর্শিদাবাদী গামছায় তনু ঢাকিয়া প্রাচীরে সশব্দে ঘুঁটে দিতেছেন । সরোজিনী ঘোষবাবুদের রাজহাঁস চুরি করিতেছেন । ভেকগণ জলমাঝে সিফিলিস-সিফিলিস খেলিতেছে । ভিজা বাতাস মৃদু বহিতেছে ।

রহিমন এহি সনসার মে ভাঁতি ভাঁতি কে লোগ
এক তো মাদারচোদ হ্যায়, অঊর বহুত্যায় মাদারচোদ


ডম্বরু বলিলেন-- এই যে আমার বদন দেখিতেছ ইহা বর্তমানে বাদুড়ভুক্ত নষ্ট মাকালের ন্যায় হইলেও এককালে আমারো চেহারা কালা সায়েবের ন্যায় ছিল । আমার হেডে এখন দুই এক গাছি শণের নুড়ি দেখিতে পাও বটে  সে কালে আমার টাক চকচক করিত আর লোকে বিস্ময়ে মুখ হাঁ করিয়া তাকাইয়া থাকিত, মাছিগণ সেই হাঁ-য়ে প্রবেশ করিয়া ডিম পাড়িয়া যাইত, মাছির ডিম খাইতে অস্ট্রেলিয়া হইতে হামিং বার্ড আসিত, তথাপি লোকজন হাঁ বন্ধ করিতে পারিত না এই হাঁ রোগে আক্রান্ত হইয়া বাংলাদেশে মড়ক শুরু হইলে খান বাহাদুর শায়েস্তা খানের অনুরোধে খোদ হানিম্যান সায়েব আসিয়া নাইট্রেট নামক হোমিও দাবাই প্রয়োগ করিয়া বঙ্গদেশ-কে রক্ষা করেন  । পাড়ার আঁটকুড়ের ব্যাটা, ব্যাঁদড়া ছোড়ারা--টাকবাহাদুর, কালাচাঁদ বলিয়া খেপাইলেও সে টাকের জ্যোতি নিয়া স্বর্গ, মর্ত্য, পাতাল বা শংকরের কোন সন্দেহ ছিল না । ডার্ক ম্যাটার নিয়ে সায়েব বেটারা যে আজ এত মাতামাতি করে সে আমার টাকের খুসকি । হুঁহুঁ বাবা ! বাত ও দাদ নিয়া আমার নিকটে চাল মারিও না । পাড়ার কেষ্ট মন্ডল একবার ঘোরতর বোগদাদি বাত ও দাদে পীড়িত হইয়াছিল সেই বাত হইতে রবিঠাকুর "বাতায়ন" ও বঙ্কিমচন্দ্র "দাদখানি" শব্দগুলি আবিষ্কার করেন । সেই বাত ও দাদ আমারই সৃষ্টি । আজ দুইপাতা ইংরাজী পাঠ করিয়া ইয়াং ছোকরারা আমারে পূরাতন বৃদ্ধ বলিয়া অবহেলা করিয়া থাকে  কিন্তু তাহারা এ বিষয়ে জানেও না যে পৃথিবীর ছয় ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরিয়া এই শর্মা, আধুনিক, পরাধুনিক, উত্তরাধুনিক, রিলিজিয়ন ইত্যাদি ব্যাপারে প্রভূত জ্ঞান অর্জন করিয়াছে । এই দুইমাস পূর্বে ক্যানিং লোকালে সীট নিয়া বচসা হইলে এক ছোকরার খাতা আমি বলপূর্বক কাড়িয়া লই, তাহাতে অনেক গম্ভীর গম্ভীর ইংরাজী কথা রহিয়াছেওই লেখা পড়িতে পড়িতে আমার তিন চারিটি দাঁত ভাঙ্গিলেও, আমি সেই লেখাকে হাত ছাড়া করিনাই  মনে স্থির করিয়াছি এই সব ভারী ভারী বাক্য লইয়া দক্ষিণবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হইতে পি।এইচ।ডি করিব । এই বুড়া বয়সে ডাক্তারি পাশ করিলে বিপদে আপদে চিকিৎসা করিয়া জীবননির্বাহ করিতে পাইব । তদুপরি খবরের কাগজে নাম উঠিলে আমারে নিয়া মস্করা করিতেও কেহ সাহস পাইবে না । ভাবিতেছ গুল ! এই নাও, আমার গবেষণার কিছু  শ্রবণ করিয়া চুলকানি ও ব্যাথার উপশম কর ।

কবীরা খড়া বজার মে, দেহুঁ লন্ড লটকায়
জিসকো জিতনা চাহিয়ে, কাট কাট লে যায়

Spirituality was not my cup of tea either, but then life has this habit of biting you in "untoward" places. I turned spiritual at the beginning of this millennium and  am pretty proud of the fact that at any given time and place I’ve at least a pint of vodka coursing through my veins and almost half of it has passed through the blood-brain barrier and is busy playing “snakes and ladders” with the neurons.

জীবন মানে হয় উকো (Occult) নয় ফুকো (Foucalt). উকো মডার্ণ, ফুকো পোস্ট, উকো স্ট্রাকচারাল, ফুকো পোস্ট  উকোয় আর কী কী করে/করতে পারে লিপিবদ্ধ নয় (বটতলা বেসড বাপি তান্ত্রিকের সাথে কথা বলতে পারেন) তবে গরুকে ফুকো মারলে দুধ হয়এ মোটামুটি খনার সময় থেকে সাধারণ জ্ঞান ।

Life is a bummer, even “god” was sure of it, I guess, so he invented “death”, a clockwork device that goes “aha aha” (with a capital A) at the slightest provocation—shake the chow-mien off me and don’t you bloody dare give me that untoward stare—so what I was saying ! Oh, yes, life is a bummer and has this habbit of biting you at all the misdirected places bypassing all order of things. Well, what else can one do than turn spiritual and look for a structure (even where emptyness stares back with inten-bloody-sity). Structure is business and “post-structure” is a business-proposition, ditto for modern and post-modern. For example, my eldest son (all 9 years of wisdom hammered and cajoled into a four-feet 21 Kg frame)is a modernist, he wants to buy a lot of Jeans and biceps and all things shining and trendy to impress girls and my youngest couple of sons (aged 14 months) are post-modernists, i.e they are prone to thud thud, bang, crash and shatter everything within their reach. Let me remind you again, modern is business and post-modern is business waiting to happen (because if you really really need something you don’t usually leave it to the post-modernists). Now both leave a gigantic crater in your pockets. But you see, life is so much better, if that crater is filled with spirit (read Vodka)—and that’s a dream, that’s a dream I live on and therefore I personally am a surrealist.

Order Order! order is word of the day since time started taking a piss (which essentially is beginning of the time). The point is, don’t look for a point in a structure or “post-structure”. A point simply doesn’t exist (remember big-bang ! it ate through all the points, if some scattered ones remained hidden in the jungles of Africa, King-Kong got to them first, leaving none for Tarzan of the Apes; Tarzan had to be content with Zen instead ).

It’s time we get to know “spirituality”, spirit flows, a point could never do that even when trained by Michael Jackson. A point is individualistic, stubborn, at your face, while spirit in one form or other crosses every barrier {vampires have a knack of doing that too, or for example a sublime fart (well farting is an organic sublimation: so it’s a bit of obvious; never mind)}—social or otherwise, the ultimate “sociocrat” ( all types of “Crats” are species of rats who prefer a prefix ending obligatorily with a “C”, probably to shock a cat, I mean “crat” definitely sounds a lot more bigger, meaner and ominous than a cat). And curiosity kills the “crat”, I mean if you are a demo version of a crat or a social, or a hypocritical one or for what it matters an “aristo” (whatever it means other than “unambiguous”)—curiosity shouldn’t really be your poison. You ask for a point, you are shown a large wooden stake with a diamond-tip that should penetrate almost anything with an imaginable thickcness. You ask for a confirmation to your theory on “Stockholm syndrome, exploitation and exploited” – you will be given a mathemetical answer that outweighs “one metric tonn” and comes with this state-of-the art logic of a 200 meter long dead-bolt and basically the whole metric system dangling from it (it’s called statistics).

Spirit is alright though, better if methylated, spirit symbolizes religion (not talking about the one that is visible through your pants; well, any problem, if that wants to get incorporated too ?), it symbolizes the mean of your mean-ness plus/minus standrad rate of errors. See, religion with the right amount of economics absolves everything, including gravest errors, and error bars are always used as crowns of the means.

Deep down we know everything ultimately goes to the pigs, i.e transformed to shit, theories, principles, undigested coconuts and fish guts, and the Newton’s laws of physics (especially in the true spirit of things), after a bit of digestion. However,  post-modernism is a process of making the same shit at a faster rate, i.e. without the “digestion” part. In truth, too much spirit may modify your gastro-intestinal tract (not to mention liver) in the most favourable manner so that nothing of this worldly muck is absorbed. That kind of cuts spiritualism and post-modernism out of the same piece of lingerie—so that they can start arguing from a position of equal footing, atom by atom.............Like the mirror image fighting its mirror image..........

Thursday, May 24, 2012

Mantra of the Summer


Recourse to commemoration
Reverting to ethicalities of construction
“I” decadent, “I” verily a subjective alloy
“You” remembrance “you” plateau
“They” stage. Stage to move a microscope
Along X&Y –   XX “she” a decoy fathom
Message a message a charity outgrowth
Revert to ethics

Mantra of the summer
Bummer Bummer Bummer Bummer Bummer

The therapist said— the point is—if a point is pointed enough it can turn you blind. To avoid this, the early human invented the concept of zone. Now, a zone is a zone till you throw a stone. It’s time you start believing in ripples. It’s the only form of release in a stagnance. Eventually you come back to yourself as there is nowhere else to go. It’s all ozone outside the zone. Can’t breathe it, can’t eat it, can’t shit it; only political ambitions thrive there.

Mantra of the summer
Bummer Bummer Bummer Bummer Bummer
Let’s face it; a hole is not a hole without the option of withdrawal. Losing you left a hole in me, in my pagemarks, in the once sordid concept of plurality. I am whole now, akin to a sense of self justification growing out of an eraser. Mark my words and then erase them.
Mantra of the summer
Bummer Bummer Bummer Bummer Bummer

The only possible alibi I could have had was that I was shitting together with you, thinking about this poem about conditional plurality and continuously reverting to the discrepancies in definitions of “scar” and “scarred”. I still say-- your honor-- I’ve had no hand in this new world order.

Mantra of the summer
Bummer Bummer Bummer Bummer Bummer

In retrospect, my ego should’ve stayed clear of me. Doesn’t it sound true that only death defies death. An unsung promise defies a resonating promise and we stand on our shards reminiscing about infrastructures and dilemmas, holes in our once promising theories, sutures and withdrawals.

Mantra of the summer
Bummer Bummer Bummer Bummer Bummer

Tricky, isn’t it, to escape and then return to the gaol feeling bubbly. Progress is heady, it dispenses the same Martini that you had in that charity program in 68. The world went global, it was octagonal before that with a few chinks. Our crops are outgrowing their rains, our armours are stripped for recycling dead meats. Good times to pick-up a swagger and beat the shit out of the bugger and call the currency a hole.

Mantra of the summer
Bummer Bummer Bummer Bummer Bummer

Resistance essentially is a queue of never ending propositions and without resistance there never is capital. Capital of identity, of incongruence, of resources waiting to be buried among the graveyard of vernacular memories. We will identify ourselves alright, we will prostrate before the mirror, strip-search for bottom-lines that were built to be promiscuous in the first place. My fidelity is fractal, so is my concept of home. Mark these and then remember your mighty righteous eraser.

Mantra of the summer
Bummer Bummer Bummer Bummer Bummer

Sunday, March 25, 2012

The Mud Proposal

Finally, it is out
The MUD Proposal


A new journal of interdisciplinary poetic arts - The MUD Proposal is more of a journal archive launched from within Kaurab's domain, that will, through its biannual updates, display and archive complete or substantial parts of a poetry project. And by the way, it'll provide room for other texts that may not strictly and necessarily pass as "poetry".

At The Mud Proposal, the editors feel strongly that more time should be spent seeking rather than defending and that not enough can be done to muddy the waters. Those ripples have always been the breeding zone of relevant and necessary expression.

Any metamorphosis initiates at an epithelial level. It begins by rupturing the skin. The boundary. The veneer of separation that stands against epitaxies that in the pretense of feeling and mapping cultures actually prevents transfusion. The purpose of The Mud Proposal is to excite and showcase projects - literary and cross-media - that serve to hasten the transfiguration of one discipline, motive, tradition, medium, procedure and cultural practice into others through free-associations and meditated exchanges. "


The first update features projects by Tyrone Williams, Madhuja Mukherjee, Thom Donovan, Neelanjana Banerjee, David Baptiste Chirot & Pat Clifford.

Wednesday, March 21, 2012

Wild horses of fire & EFL

http://whof.blogspot.in/

Enjoy

By the way, Anupam is doing great too ! Started an English blog-- great poems

http://anupamefl.blogspot.in/

Monday, March 19, 2012

Indian poets writing in English

A nice site that shares some work by Indian poets writing in English

Not everybody in the list is strictly Indian though, especially Charles Simic...but he is an increasingly well known poet.

Monday, March 12, 2012

5

ফ্রেমগুলি একে একে কাত করে দেয়া
কবির কি ওই ব্যবহৃত ভরকেন্দ্র
মনে পড়ে যখন জটিলতা ছিল
একটা বই লিখতে পারবো এত নীলক্ষেতের তুলার দোকান
এত শুভ্র পাশবালিশ
সূতায় ঝুলছে। তুলা উড়ছে পেট্রল পাম্পে। আলিঙ্গন
আলিঙ্গন
আমার কি মনে পড়ে না
সবকিছু স্প্রিঙের মতো কাঁপছিল রোদের নিচে
এক ঝাঁকা বড়ই উলটে গেলো দুর্বোধ্য ফুটপাথে ঘামের ভিতর
ভেড়া গুণে গুণে
সমগ্র বিপ্র
চেতনা
একই মেঝে বার বার
মুছে চলেছে। একই ঘা ধুয়ে চলেছে
আব্দুল্লার রিভলবার
কাপড়ের নিচে লুকানো তার বোন দেখেছিল। আবুল্লার গুলিহীন পিস্তল
চার রাত ধরে '
দেরাজে কাপড়ের নিচে
টুকরা টুকরা মায়া
আমি কিছু ব্যবহৃত মায়া
আলপনা উঠে যাওয়া সিঁড়ি ধরে নামছিলাম ফুলের মতো
দুর্বোধ্য আজান
আরবি ক্লাশে শীর্ণকায় আবদুল্লাহ
কেন ওইভাবে
নিরব হয় হাসি। যেইদিকে নিয়ে যেতে চাও
সেদিক সেদিক
কিন্তু যেতে চাও
যেহেতু ঘুরে তোমাকে দাঁড়াতেই হবে। যত দ্রুতই টকে যাক কোয়া। বলেছিল।
না তার বোন? ... ... ... মাথা ফাঁকা হয়ে আসে কবিরের। একটার পর একটা প্লেট জমতে থাকে চোখের সামনে। সাধারণ ভাগ ভুল করে। কোনো উদাসীনতা নেই
অস্তিত্ব একটা আকীর্ণতা মাত্র
মাঝরাস্তা থেকে যে ঝাঁপ দেয়
খাদে, পরিখায়
আর গুটিয়ে নিতে চায় নিজেকে
আরও ঘন এক অস্তিত্বের মধ্যে
অথচ ছড়িয়ে পড়তে চায়
চিহ্ন থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে চায়
--
আমার চিহ্ন জিরোচ্ছে তোমার চিহ্নের ওপর
ফুল ফোটা আর শুকিয়ে যাওয়ার মধ্যে
বন্ধ হয়ে এল কবরখানার দরজা
বন্ধ ঘরে যে দিকেই ফিরি
অস্বীকারে হাত ঠেকে যায়
চিহ্নের বিপক্ষে যত কথা হল
সব কথা চিহ্নিত হয়ে থেকে গেল
মাঝখান থেকে
গুহাচিত্রের গায়ে আঙ্গুল দাগানোর
গল্পগুলো আবছা হয়ে গেল
আমাদের অভিসন্ধি, যুদ্ধবিরতি, জলছবি
সব
--

যেমন শূন্যতা একটা প্রবাহ
যা দৃশ্যমানতার কাছে এসে ভেঙ্গে যায়
আর সমস্ত কণাকেই মানানসই মনে হয়
স্থিতির বিপক্ষে, গতির বিপক্ষে
আমাদের আর কিছু বলার থাকে না
নীল দরজা থেকে
বেরিয়ে আসা কাতরানোর আভাসগুলোকেও
আর বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না
--
থেমে যাওয়া একটা প্রক্রিয়া যে
নিরন্তর গতির মধ্যে
ঝালিয়ে নেয় নিজেকে
আড়ষ্ট কাঁধ নিয়ে
আগুন পোহায়
পূর্ণতা নিয়ে ভাবতে ভাবতে
পূর্ণতা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়
ঘষটে ঘষটে এগিয়ে যায়
শূন্যতার দিকে
শূন্যতাসমেত
--

Friday, March 9, 2012

4

ধীরে ফিকে হয়ে আসে
কারো কারো হাঁটায় এতো শব্দ হয়... নিজের থেকে এসব সরিয়ে দিলে অন্য কারো বৃত্ত টেনে নিজের ভিতর কেমন একটা রোখ চেপে যায়। মন্দের ভাল। সত্য প্রকাশ পাবেই। কিন্তু ততক্ষণে মিথ্যারা যা করার করে ফেলেছে। ভুরুর নিচে কয়েকটা পেশী মুক্ত হয়ে কাঁপতে শুরু করে। পাল্লা খুলে এক তাক ওষুধের নাম পড়তে থাকে কবির। ক্লান্তি নেই একদম। দাবার ঘুটির মতো সাজানো, ফাঁদ পেতে তৈরি করছে পরবর্তী কোণ
পরোক্ষ, বেখেয়াল
সূতা জেগে আছে
ঘর জুড়ে অতীত
নেই
ভবিষ্যত নেই
পেছনপাশগুলি , একবার লিখে ভুলে যায়

তার পর প্রতিলিপি অন্য কোনো দিন , অন্য কোনো পাশ , ওই রকম আর ইচ্ছা করে না
মনে পড়ে না, মনে করতে ইচ্ছা করে না

ফিকে ভাল লাগে
এলিয়া ফিকে , কেন্দ্র বিকেন্দ্র না
অনেক বৃত্ত না জেনে
কোনোদিন
কী করে পাশ ফেরে
চশমা খুলে রাখে

চোখ ভাল হবার পর শেষরাতে বাতি জ্বালায় কবির
পুরানো লেন্সে
চোখ সেরে ওঠার মতো তন্ময়
যেন সেই দোষ ফিরে এলো
লোকমুখ
উপর থেকে যা কিছু দেখতে সোজা লাগে
মনে হয় পুরাতন
ফ্রেমগুলি একে একে কাত করে দেয়া

Thursday, March 8, 2012

বিশ্লেষণ থেকে যে তোমাকে ছাড়িয়ে আনে
আর মেলে দেয় অন্ধকারে
সমাধিক্ষেত্রে, লবিতে, রাস্তায়
নতুন এক বিপন্নতায়
সেও এক দ্বিধা

দ্বিধার পরত খুলে দেখ
তুমি নেই

কেউ নেই
--
বিস্ময় যখন
ঘনীভূত হয়
আর নিঃশব্দে অনুসরণ করে
আমাদের সমস্যাদের
উৎকণ্ঠাদের
আর আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নকল
করতে করতে হেরে যায়

মৃদু শেকলের শব্দ ছাড়া
আর কিছুই কানে আসে না
স্থিতিও না
--
আলো ও অন্ধকার দু’ই ক্রিয়া
পদ্ধতি নিয়ে, সিদ্ধান্ত নিয়ে
কোন মাথাব্যাথাই যাদের নেই
শুধু পরস্পরকে
প্রতীত করে তোলা
আবছা করে তোলা
ছাড়া কোন কাজ নেই

দ্বিধা ও বিশ্বাস
নেপথ্য বানায়
নিজেরাই অভিনয় করে
রোল বিনিময় করে
কুকুর ও শেকলের

এই সব এক মাংসল পৃথিবীর কথা
সংশয় ও সঙ্ঘাত ছাড়া যার কোন অস্তিত্বই নেই
--
আলো নিভে গেলে
স্পর্শ সরল হয়ে ওঠে
মুহূর্ত থেকে মুহূর্তের মধ্যে
পায়চারি করে
না দেয়ালের কথা, না জানলার কথা
কোন কিছুই আর মনে পড়ে না

দ্বিধাই যখন একমাত্র ইন্দ্রিয়
কোন ঈশ্বরের কথাই মনে পড়ে না
--
এরপরও কতখানি উদাস থাকবো ঈশ্বর
কতবার প্রার্থনার ভেতর
প্রকৃতির ভেতর সুস্থ হয়ে উঠতে চাইবো
দেনাশোধের মত সরল রেখা হয়ে উঠবো

নিরিখের ভেতর চিহ্ন খুঁজে পাচ্ছি না আর
ঘটনার ভেতর নিজেকে

স্তরে স্তরে সূর্য উঠেছে
স্তরে স্তরে গরমের ছুটি
--

Tuesday, March 6, 2012

এক ময়লা ফেলার দিন

উদাসীনতার বেড়া ভাঙে উদাসীনতা
গল্প শুরু হয় মৌনতা দিয়ে
যার সাথে আমাদের সম্পর্ক নিছকই কাব্যিক
ছাড়াও হারিয়ে যাওয়া সমীকরণ বোঝাতে
কাউকে প্রচলিত দেওয়ালের আশ্রয় নিতে হয়
বাইরে ময়লা ফেলার দিনটা মনে রাখাই বা কতটা জরুরী?
পরিত্যক্ত জিনিসে যে সঙ্গোপন লেগে থাকে
তা সর্বদাই পাগলদের মুগ্ধ করে
চোখের ইঙ্গিতকে কতদিন আর ভাষা বলব
পাগলটার সাথে আমার দেখা হয়
বাড়ির সামনে থেকে সে একটা হোম থিয়েটার বেছে নিচ্ছে
আমি তার টুকরো মেলানো দেখতে চাই
শব্দের সাথে দেওয়ালের পারস্পরিক সম্পর্ক জানতে
সচেতন হওয়া চাই নাকি?
আমার ডাক আসে মোবাইলে
কালো পলিথিন ব্যাগটা পাশ কাটিয়ে যেতে যেতে ভাবি
পরের ময়লা ফেলার দিনটা কিভাবে ও মনে রাখবে
শব্দের বাকি টুকরোগুলো কি পাওয়া যাবে সেই দিন?
পাগল চোখের ইঙ্গিত জানে না
ওর চোখের ভাষা বলে না ও ফিরবে কিনা
উদাসীনতার বেড়া ভাঙে
গল্প শুরু হয় মুগ্ধতা দিয়ে
সঙ্গোপন এক আসক্তি পাগলও যার পাশ কাটাতে চায় না

পাগলটা আমাকে ময়লা ফেলার দিন মনে করিয়ে দেয়
আমার মোবাইল বলে ওঠে
ময়লা ফেলাটা জরুরী
দিনটা মনে রাখা নয়

Monday, March 5, 2012

যে সমস্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে
চোখ বোজ, দেখ
তারাই অনুসরণ করছে
বরফের ওপর তোমার পায়ের লাল ছোপ
অথচ তাদের চিহ্ন
দেখতে পাওনি

আজ উত্তেজক মুহূর্তের মধ্যে
শক্ত ও বিহ্বল মুহূর্তের মধ্যে
তাদের স্বরূপগুলো যদি বিম্বিত হয়

একজোড়া পায়ের মশমশ
দাঁড়িয়ে পড়ে বালির মধ্যে
বরফের ধারণার মধ্যে

কোন বিশ্বাসকে বেছে নেবে ?

--

এই হল গতির কথা
যার অন্ধত্ব আমাকে চিরকাল অবাক করে
তথ্য থেকে বার করে আনে

আর এই হল স্থিতির কথা
যার দৃশ্যময়তা আমাকে তথ্যের প্রতি
প্রলুব্ধ করে

আর এই হল স্বচ্ছতার কথা
যা গতি ও স্থিতির মাঝখানে
আমার গৌণতা নিয়ে খেলে

--
এই সব স্থিরচিত্র
নিজেকেই করুণার কথা
নিখিলের পরে আরও যে নিখিল
প্রবাহে, মন্থরে
তার ছায়া বারবার
অক্ষরে লাগে
আর ধীর হয়ে আসে কথা ও করুণা

যোগাযোগের জন্যে রাখা যন্ত্রাংশ, ভীতি
সাবলীল ঘেরাটোপগুলো
---
ফলে যা পড়ে থাকে তা এক ভ্রমণ
পার্থক্য থেকে পার্থক্যের মধ্যে

আমাদেরও ভারসাম্যে পায়
কালো ও অনাদি সেই ভারসাম্য

আর অনন্তে কুকুরের ডাক বাজে
প্রতিশ্রুতিহীন প্রস্থানের মত

--
এরপর
অন্দর থেকে ছুটে যাই
আর একটি অন্দর সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে
অটুট, অগভীর
আর এক ভয় পেড়ে ফেলে
অস্তিত্বের কথা খুব মনে পড়ে
হাঁটতে শেখার দিনে
এক ভারসাম্য থেকে অন্য
ভারসাম্যে গড়িয়ে যাওয়ার দিনে
--

Sunday, March 4, 2012

কা ও খ -৩

সুতরাং গল্পগুলো তৈরি হয় ধাপে ধাপে। এত শ্লথ গতিতে
যে ওদেরকে ঠিক গল্প বলে ডাকার উপায় থাকে না

প্রতিটি সামঞ্জস্য আর প্রতিটি সবুজ
ক্রমাগত
বিস্তারে ছাড় দিতে দিতে, তোমাকে বলিষ্ঠতা দেয়
শেষ করে আনে, শূন্যতা পূর্ণতা একাকার করে দেয় মনের ভিতর
এমন বলেছিল কি না

ক্রমাগত,
ফেলে রাখো সূচনাচিহ্নের মায়া, টার্মিনাল
গৌন হও তুমি, গৌন হতে শেখো
চাও বা না চাও
যোগাযোগ হবে প্রেক্ষাপটের
নিজস্ব তূলনার ফ্রেমে
ধরবে তোমার ডিফর্মিটিগুলি। তোমাকে ঠিক করতেই হবে তুমি কতখানি চাও
পুনর্বিন্যাস, কবিরের গল্প হতে। গল্প হলো হাসির অন্যত্র
আশা
অন্যায়
এসব ফেলনা জিনিস না তো
অযুক্তিতে রাগ করো না

তুমি ভেবে ঠিক করে আগাতে পারবে না
কতদূর আগাবে ঠিক করে ভাবতে পারবে না। ঠিকের আগে তোমার অন্যত্র
তোমার জন্য বিকন সাজিয়ে রেখে গেছে

Saturday, March 3, 2012

কার তফাৎ কত দূরে
স্বস্তি ও শ্রাবণে মনে পড়ে
অচেনা মুখের পাশে হেলে থাকে
ছায়া, বিপন্ন ষাঁড়
চুবড়ি ভর্তি তুলনা নিয়ে খেলনা বিক্রেতা
আর নির্মাণের কথা মনে পড়ে

আমাকে মনোযোগ করে রেখে দেবে—এও তো বিশ্বাস
দানানো শেকলে
আর যোগাযোগ পর্যন্ত দৌড়ে যাওয়া দেয়াল

শব্দ হয়, ভাষা হয়, নিভৃতিও খানিকটা
আড়াল থেকে অন্য আড়ালে চলাচল হয়
কিছুটা বিস্মৃতি ধরে স্বস্তিকে
শ্রাবণে যাদের মনে পড়ে তারাই তো রবি !
বিহনে যাদের মনে পড়ে – সেই নিজ মুখ
এও তো ঘটনা

তবে শূন্যতা ? সেবাসদনের কাচে গ্রহণযোগ্য পীড়া
আলো ও মন্থর –কিছুটা জটিল হয়ে নিজের কাছেই ফেরা
এইসব শূন্যতা নয়

একটু অস্থিরতা, একটু প্রমাণ
সাপেক্ষ হয়ে ওঠে সহজাত ভরাটের ক্রমে
--
অর্থাৎ মাংসও একটি অনির্দেশ
যে ভাবে বিমূর্ততার কথা ভাবতেও
স্পষ্টতার দরকার হয়
এক বিচ্ছিন্ন অসীম নিজেকে সেলাই করতে করতে
ক্লান্তির সম্ভাবনাগুলো উগরে দেয়
সংহত কোন ভাবনাই তখন আর যথেষ্ট নয়
তারপর নিজেদের সংস্পর্শে এসে আমরাও হাত খুলে রাখি
শাস্তির আভাসগুলি
কোন বিপন্ন বিস্ময় কোথাও আর ক্রিয়াশীল থাকে না

কোন শ্রাবণেই সূর্যের প্রয়োজন বোধ হয় না ।
--
তারপর বুনো জন্তুর মত ছুটে আসে
সত্তা—আর সশব্দে ঘুমের মধ্যে মাথা গলিয়ে দেয়
প্রচ্ছন্ন হয়ে থাকা ছাড়া উপায় থাকে না
ধীর ও প্রচল হয়ে থাকা ছাড়া
শেকল আর কুকুর দুই জরুরী অভ্যাস হয়ে ওঠে

--
নিজেকেই নির্বাসন দিই, পুরু ও ঘোলাটে দ্বীপে
সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে
সারল্য একটা মীমাংসা মাত্র হয়ে থাকে
নিজেকে আশ্চর্য করে হেসে উঠি
গান গাই
দেয়ালের রঙ নিয়ে কথা বলি
আর তদারক করি আঘাতের, রক্তের
উৎকণ্ঠার
লম্বা প্রেরণাগুলো হেঁটে যায় ছোট ছোট পায়ে ।

বি ও খ -২

কোথায় লিখছো। মন ভাল করে দাও। টুল, পিকনিক, দীর্ঘ দীর্ঘ আলামত
গোয়েন্দার অপেক্ষারত
যেনো তেনো একটা চিহ্ন বলো দেখি। নিঝুম দোতলা বলো
নরোম রোদে এক ছাদ শুকনা ব্লাউস
শ্যাওলা। অনেক গাঁজা খেয়ে লাশ কাটতে হয়

এখানে সেখানে রঙ চটে যাওয়া মেঝের উপর দাঁড়িয়ে আছে কবির। কিন্তু ছিঁড়তে পারে না। মায়া হয়
বুড়া আঙুলে ফাঙগাস
নানা আঁকিবুকির ভিতর ক্রমাগত মনে হতে থাকে রতন মারা গেছে
রতন ডোম তাকে মর্গে ঢুকতে দেয় নাই
বারান্দায় কিছু ডোম বসেছিল দুপুরবেলা। নিজেদের ভিতর বিহারি ভাষায় কথা বলছিল। ঢুকতে দেয় নাই বলেছে আম্মা বকা দেবে। আমি এক ব্যাগ পেঁয়াজ হাতে
দুপাশে সারবাঁধা তালার মধ্য দিয়ে হেঁটে চলে আসি
সহজ কথা নাকি
কতকিছু চেপে যাওয়া হলো
হাসি সেরকম না। এবং বাঁকা সেরকম না। ভ্যাপসা গরমের পর বাতাস ছেড়ে বৃষ্টি নামে
লিচু , আম ভাল হয়। উহ্য রাখে। ভুট্টা পোড়া গন্ধ মিশে যায় এখানে সেখানে
শ্লেটভরা দাগ অদল বদল করে

কাপড় জামার স্তুপ সরিয়ে কিছুই পাওয়া যায় না
সূঁতাছেড়া বোতাম। পুরানো আইটিনারি
প্ল্যাটফর্মে গলিয়ে নেয়া ট্রেন
হাসি বুঝতে পারে কুঙ্কুদেশে লিচু , আম ভাল হয়। কবির পারে না। এক দেরাজ কাপড় টেনে খোলে
অন্যপ্রান্ত এই রকম একটা চাওয়া কবির টের পায় বাইরে যাবার
টের পায় উন্মাদনা প্রশান্তির বাইরের কিছু না। শুধু কেমন এক ভান। বিব্রতকর
জানালা দিয়ে মাথা বার করে অপেক্ষা - কখন আসবে অপ্রত্যাশিত বাঁক
কখন দেখা যাবে রেলগাড়ির আগাপাশতলা -
প্রথমে খারাপ লাগে। তার পর হাসি পায়। হাসি জানে, বাঁকেরও নিজস্ব কন্টেক্সট আছে
এর বেশি তেমন কিছু অনুমান করতে চাওয়া ঠিক না

Friday, March 2, 2012

এরপরও উত্তরের জন্য অপেক্ষা করে
আমাদের ছায়ারা
সন্দেহের মধ্যে ডুবে যেতে যেতে
ভোর ও আলোর কথা ভাবে
নবীকরণের কথা
এক প্রাচুর্যের কথা
অবধারিত এক প্রাচুর্যের কথা
--
সমস্ত পথই একএকটা সিদ্ধান্ত মাত্র
বিবাহসূত্র ছিঁড়ে
ছুটে যাওয়া
জুয়ার টেবিলে
শিথিলতা আর তার পূনর্বিন্যাস
প্রকল্পের কথাও ভাবি
চামড়ায় দাগানো বিশ্বাস
যেমন মানুষের জন্য অপেক্ষা করে
ঠোঁট উঁচু করে অন্যমনস্কতায়
ঢুকে যায়
--
খুব অতিরিক্ত হয়ে ছিলে
পর্যাপ্ত গতিহীনতায়
ঘুম এসেছিল, মুখে আলো পড়ছিল তবু
ত্রুটি্ময় বাতাস বইছিল
বাতাসের চার কোনা উড়ে যাচ্ছিল

এইসব অস্পষ্টতাই আমাদের চিহ্ন
নির্মানের গায়ে
আমাদের বিভ্রাটই আমাদের প্রকৃত নির্মাণ
ক্রিয়াশীল, নিরন্তর – অনায়াস

--
তবু সত্য নয়, প্রত্যাশা ও প্রত্যাশার মত সব জানলা
স্বাস্থ্যকামী বিপন্ন ভ্রমণ
তোমার আদলে, ভাষা এসে পড়ে
ভাষার স্পর্শ
স্বভাবত কর্কশ, খড়খড়ে
আর তাই দৃশ্যমান
ঘাড়ে, নখে

--
যে ভাবে প্রশ্নপত্রের কাছে
সে ভাবে স্মৃতির কাছে
যাওয়া
যাওয়া লেগে থাকে অবনত ডোরবেলে
পরিকল্পিত
সমস্ত আভাসের কাছে
পুরোদস্তুরে
--
এরপরও ঋণি থাকতে হবে
পদ্ধতির কাছে ?
প্রমাণের জন্য, কয়েক মুহূর্তের স্তব্ধতার জন্য
ঘুমিয়ে পড়তে হবে নির্মাণের মধ্যে ?

ভুল-চুক কোথা যায় ?
কোথা যায় সকালের চিনি ?

খানিকটা অভাবনীয় যা
তার অর্জন কোথায় লেগেছে ?

এস, আমার অমনোযোগে বস
দুদন্ড ঋণি থাকি নিজেদের কাছে
--

Thursday, February 23, 2012

derrida on deconstruction

sabya-r saampratik kabitaa niye aamaader aalochanaar pariprexite o Sanchita-r prashner uttare aamaar mane halo, ei videoTaa sakaler janya share karaa Jay. sabaai dekhuk. ki mane hay se niye aalochanaa karaa Jaay ekhaane...