Circumcontentive Poetry is granular. It is an assembly of many kinds of grains, iota, shreds, and smidgeons. Collage techniques are its automatic choice, an assembly language is its perfect embodiment.
Sunday, February 20, 2011
বন্দুক, জীবাণু ও ইস্পাত
আমাদের পূর্বপুরুষীয় অসংখ্য ধারণার মধ্যে
যোগসূত্র কিছু সংগীত ঝুলে আছে
সমাজবদ্ধ কেউ কেউ জানত না তারা
প্রতিটা অনুগত বিভ্রান্তিতেও মূর্চ্ছনা তৈরী করছে
ইতিহাস যার বৈঠকী নাম
তারও অনেক বছর পর টাইম মেশিন নিয়ে
উত্তরপুরুষের গল্পগাথা
উহ্য বা প্রকট হবে কথামালার সাতটি ভয়াল পাপ
কেউ কাঠ খোদাই করবে, কেউবা নগ্নতা
কারও বা প্রযত্নে ভঙ্গুর প্যাপিরাস - মিথ্যা
তোমরা সবাই তো সেই সংজ্ঞা জানো
আমাদের ড্রয়ারে মৃত মানুষের কিছু পোষাক রাখা আছে
ওর গায়ের গন্ধ ডিসেম্বর থেকে ফিকে হতে হতে
এক উষ্ণ সময়
বাদামী জামা, খয়েরী জুতো, একটা কোঁচকানো টি-শার্ট
বন্ধু, অস্তিত্ত্ব, স্মৃতি বা নিঃসঙ্গ মৃত্যুই মনে করায়
আমি অন্ধকার ভালোবাসি
আলোহীনতায় কোন রং আসলেই নেই
তবু তুমি সাদাতেও পৃথক করতে পার না
ওই সব বন্দুক, জীবাণু ও ইস্পাতের সম্পর্কগুলি
এইবার ভাবা যাক ওরা প্রত্যেকেই মৃত্যু নিয়ে আসে
কথোপকথনের সেই পিছুটান
যদি প্রত্যেক শব্দ অনুভব হত অপরিমাপযোগ্য
আমরা তারও একক ঠিক করতাম
তুমি চ্যানেল বদলাও, আমি পারি না
কেবল বিহ্বল কিছু ধ্রুবক পাল্টাতে চাইতাম
নতুন সব মান-এ হয়ত
মৃতের পোষাক আমার ড্রয়ারে থাকত না
শুধু গায়ের গন্ধ, আর ডিসেম্বর
Tuesday, February 15, 2011
bracket2
মিঃ বীন বললেন -- However futile it may be, the humane urge to define anything and everything is imperative, despite the non-result. This process eventually leads you to accept the futility but not without relevant questions. These questions redefine what you essentially are.
সিপিয়া শহরে তাম্রলিপ্ত ফুল
ব্রোঞ্জের চাকা
তুষার জমার দিনে ভারী ও সন্তুলিত
কুমোরের চাকে অবিকল গ্রহণযোগ্যতা
নিয়ে ভাবছিনা
আমি ভাবি তার অবিরল মোহ ও সংক্রমণ
সংজ্ঞাবিলীন স্থানিকতা
কীভাবে বরফকণা
চাকার ভবিষ্যতে চাকার অতীতে
আর চাকার প্রতীকগুলি
বরফকণার আগে বরফকণার পরে
--
trappings are quite common in
this landscape
routinely evaluated
serene
hollow
yet
brimming with life
trapped
and the trapper never asks
your ID
It's not the destination
but the framework of a sustainable prose.
avid ears
wet ideas
ambivalent
punctated words that
give shape to a cemetery
lingering in the shadow of
hallowed windows
--
This city
will enable you to write
these green faces
percolating light through
green eyes
silent green words
leaching down
nourishing
dead plants
হে গাঢ় ও পেডান্টিক চেতনাগুচ্ছ
আমি খুব সাবলীল নই
যদিও আমার অভ্যাসগুলি সাবলীল
আমার নকশার ধারে
আলোর পিস্টন
ঘটনাবিহীন
খুব স্বাভাবিক ভাবে ভেবে উঠি
হে মানডেনিটি হে আমার প্রকৃত সুস্থতা
--
And the decanter and the decanter's metaphor and its vulneralibility and its innerself sloshing at the hand's approach and the hand, its guarded manicure and the featureless hesitation travelling from the hand to the decanter and the sloshing innerself succumbing to the hand's lonliness and its nowheredom and the etymology of the sloshing innerself and its despotic truewhereness and the mouth’s gullibility and…
--
Damn it Mr. Bean, It was never my ambition to write a memorable line, I just wanted to write a memorable pause.
মিঃ বীন বললেন--
It’s alright to feel cheated as this is the only feeling that is truly existential in principle. By the way, did you know that “morality” is a byproduct of the sense of being cheated.
আমি সেভাবে ভাবিনা শুদ্ধতা
আমি এক আনুগত্য জানি
যার অভ্যন্তর যৌগিক ও নিরন্তর
ফাটিয়ে ফেলছে মৌলিকতার দাবী ও আকর্ষণ
হে ঐক্যজানু হে জানুগত পার্থিব নতমানসতা
আমি একমাত্র অনুগত আমার ধড়ের ক্ষণিক স্থানিক জৈবিক আড়ষ্টতার
--
Yet you float your elemental belongingness in unknown water, yet you acquire newer fears, yet you go searching for avoidable traps, yet you learn to love the arena where you have tasted your gore, bile, soliloquy, pride, helplessness, your continuum … yet time and yet again…
মিঃ বীন বললেন –Epigenetics is the heritable changes that take place without altering the genetic sequence – your habits/surroundings may switch off or on genes by just methylating or demethylating them...
and my fears now know-- I thought so I became... yet time and yet again...
Oh how my fears inherit their fears...
--
It hurts ! This petulance
Mr. bean repeats – wisdom is the art of unlearning the obvious…
Fucked up, I am so fucked up…
He says: abandon this drama, theatrics
I am merely rediscovering the concept of a drama that has drowned itself in its burgeoning growth
How do I unlearn my nourishments
my soul
That undulates on a fulcrum of
Non & Yon
bugger you and bugger all, Mr. Bean
--
Mr. Bean said-- Ignorance is the strongest force, beware.
Am I merely the interpretation of my own undiscovered coordinates
An imperfection conjoins the values of this sublingual weather
My only regret is that I am forged to remember
Oh I figured out—to forget is to attain freedom in its truest
Let me appreciate a bronze-flower a flesh-flower
and their muted decorum
striving to bury
the immediate sense of necessity
Interpreting me through my follies
Interpreting me through their follies
--
Thursday, February 10, 2011
Somniloquy
------------
সিটের উপর
স্টিয়ারিঙ উপচে পড়া ল্যাটিনা , আর শূন্য ফ্ল্যাটে অভাবিত
আমি সিরিয়াস ,
এবং বিসন্ন ,
দরোজা খুলতেই ন্যাংটো ছেলেটিকে দেখে
ল্যাটিনার উপচে পড়া ধ্রুপদ
শূন্য ফ্ল্যাটে আমি তাকে প্যান্ট পরে নিতে বললাম ।
* * *
আমি প্রতিদিন মেলো - মাথার দু’পাশের দূরত্ব মাপি
গোলাপী ফিতা
পরতে পরতে মাখন
আর চাবিকাটা যন্ত্রটি সমস্ত নকল ভুলে যাবে
কন্টেক্সট
এই ফ্ল্যাটে আমার যা যা দেখার ছিল
ক্লসেটে একটা সূতা ছেড়া পুতুল পাওয়া গেছে
আমি দেখছি চাবি
চাবির গণিত যে পুতুলে বাইনারি
Somniloquy -
যাবতীয় কবিতার ফিতা মুছে আমার স্মৃতিহীনতা রেকর্ড করেছি সারারাত
আর তাকিয়ে থাকা পুতুল
আমি চায়ে ডুবায়ে শুকনা বিস্কুট খাই
* * *
মাথার দু’পাশ কত দূর ?
আমারও তো গর্ত আছে - গর্তের সুচারু কনভেক্স
গর্ত মানে বৃষ্টি
বাবলা গাছ লতিয়ে ওঠা নতুন তোয়ালে – বাতাস দিয়ে ভরে নাই
এই যন্ত্র যত কপি ভুলে যেতে পারে –
কনটেক্সট্ - আমি বাথরুমের কোণা থেকে ন্যাংটো ছেলেটির ফেলে যাওয়া মোজা বার করি
Monday, February 7, 2011
bracket-shahar
----------
বিরহের পাশে বেজে ওঠা ব্র্যাকেট শহর
পুকুরে পুকুরে ছাঁচ ফেলে তুলতে চাইছ
মাছের আকার
আর মাছ সংক্রান্ত চিন্তা
আদমশুমারির দিনে
একা লন্ঠন
বৃষ্টিপাতের জোরাল ফোরকাস্ট
এইসব দিনে আধোঐন্দ্রিক ইলশেগুঁড়িও হয়ে যাক
ওহো ভালো থাক এই উথলে ওঠার বোধ
ভালো থাক বোধের গায়ে যে মৌমাছি
বসেও বসে না
বোধ যে একটা রিলাক্ট্যান্ট ধর্মগ্রন্থ কাকে কে বোঝাবে
উচ্ছে ক্ষেতের ধারে নিকোনো পাদ্রী
আমি ভাবছি ব্র্যাকেট শহরে গুম হয়ে যাওয়া সোফোক্লিস
বিকেলের তল্লাটখবর
একজন খবরী- খোঁচড়
কানে কানে জানতে চাইলেন ব্যাটম্যান ও মিঃ বীনের
মধ্যেকার আসল সম্পর্ক
--
সম্পর্ক
সম্পর্ক একটা কাচের বোতল
যার মধ্যে পরিষ্কার একটা ইকোসিস্টেম
থরে থরে ঘুলিয়ে উঠছে
মিঃ বীনের নাক ছেঁটে ফেলছেন
রবিন অফ শেরউড
রবিনের টুঁটিতে সাঁতরাচ্ছেন
রামমোহন
রামমোহনকে নখে ঝুলিয়ে উড়ে যাচ্ছেন
আরব্য রুক
রুকের গুহায় সন্তর্পণে অন্ধকার
খুঁড়ছেন ব্যাটম্যান
ছড়িয়ে পড়ছে তাঁর নির্ধারিত স্বগতোক্তি
ফিরে আসছে
গোগোলের নাক
মিঃ বীন
--
মিঃ বীন বললেন – life comes a full circle
আমি ভাবছি – A circle is a denominator of my own loneliness
pervading through society and landscape
encompassing but leaving things alone to their own loneliness
ক্ষণবিভাগের আলো
সারাজীবনের আলো
আলোর মধ্যিখানে নির্লিপ্ত পলতে
বাঞ্ছনীয় কাটা ঘুড়ি
ওহো তার নিজস্ব হাওয়া
কাঁপলো প্রদীপ
যত কাঁপা তত বেড়ে ওঠা
তত আলো
স্বাভাবিক বেড়ে উঠছে
আমি ও আমার স্বগতোক্তি
হদ্দ ঘুরিয়ে আনা ডালিমকান্ডে
হে একাকীত্ব হে বেড়ে ওঠা হে আদ্যন্ত ব্র্যাকেটশহর
--
ব্র্যাকেটশহরে
ঘাঘু পর্যটক
আমার শহর আর আমারই দোটানা
মূলত তন্দ্রাবোধ
কাচের বোতলে
ঘুমিয়ে পড়ছে সার্বভৌম শোক
শোকের এককগুলি জায়মান
ঘুরে দাঁড়ানোর পায়ে হাতের চিহ্ন
চিহ্নের শৃঙ্গার-প্রবণতা নিয়ে
তিনশো বছর কাটিয়ে উঠছে যে অটুট দেয়াল
তার আগামীর শর্ত একটি ফাঁকের সম্ভাবনা
ঘাঘু পর্যটক
আমি ত বসন্তের কাছে জানাতে চাইবো না
উৎসবের মানে ও সূত্র
হলুদ উড়ে যাচ্ছে যে প্রাণপণ ঘুড়ি
তার কাছে বর্ণতার রাখা আছে ঘটনাপ্রদাহ
মানমন্দিরের দূরবীনে ছোট হচ্ছে আলো
তীব্র হচ্ছে
আমার দোটানার মাঝে
রাখা হচ্ছে ছুরি
আর
শোকের এককগুলি ডাকে
--
নিপুণ ও ঝানু ব্যাবহারে
সদ্যান্ধ রূপকের মত
ভ্রাম্যমান ব্র্যাকেটশহর
কতভাবে তুলি ভালো থাক
নিরাপত্তার মত পৌনঃপুনিক
মনে করানোর দিনে
সেই সব ঘটিত টকীজের পাশে ক্লান্ত কবরখানা
দ্রোহের বৈপরীতে দ্রোহ
ঝিকিয়ে ওঠা ময়ুর
আলতো ঘুরছে
খুঁটে খাচ্ছে কাকের খাবার
টোটার গন্ধময়
দুপুরের ঝিলে ডেকে উঠছে রিক্সার হুড
এক ফালি বেগম সাহেবা
মনে পড়ানোর দিনে
গঠিত আমলকি
কন্ঠার হাড়ে
জল ঝেড়ে উঠছে ব্র্যাকেটশহর
--
আমার লেখার পাশে
লিখে ফেলা অনুভবগুলো কাঁপছে
হৃদ্যতার মত
নিপাট জংগলে
ছায়াবিষয়ক এইসব কবিতা
খুব বর্ণনামূলক ভাবে ভালো আছি
আমার ভালো থাকার পাশে
লেখাগুলি কাঁপছে
এই এক তথ্যকাহিনী
শাদা ও অন্ধকার ভুবনের ধারে
আমার ঋতুজ্ঞানের অসাড়তা নিয়ে প্রশ্ন কোরো না ব্র্যাকেটশহর
--
ব্র্যাকেট শহরে ছুটছাপ ঘোড়া
ও ঘোড়ার অন্তলীপ
এই দ্রুতির আভাস এই দ্রুতিগন্ধময় আবহাওয়া
ফুটপাথ ফাটিয়ে ফেলছে
আমি কতদিন নিজেকেই ফেলে রেখে
চলে গেছি শ্রেণীবিভাজনে
বেহদ্দ তথ্যশিকারী
হে একদা ডালিম গাছ হে সারাজীবনের প্রত্নবিন্দু
আজ শুধু মেহেদি গাছের বেড়া
তার পত্তা পত্তা
তার বুটা বুটা
--
মিঃ বীন বললেন --
Go easy on these thoughts
as all they lead to is a multitude of
fear and paranoia
bracket shahar
my innards know – this testimony that
the stone yields to the hammer-
is a conspiracy
the stone yields to its own uncertainty
and the hammer yields to its elemental metaphor
Oh I truly believe everything is alive
including you, me, this poetry, the stone,
the hammer
It's just that we don’t own a bulletin board
Friday, January 28, 2011
শূন্যপুরাণের বাঁশি বাজে ওই
হাতে ফুলস্কেপ সূর্যপত্র
চোখে মুগ্ধবোধ
বুকের ভেতর রেণু রেণু কোয়ার্কের সুগন্ধ
সম্ভাবনার স্বপ্নপাঠে পা গুটোনো প্রতিবস্তু ছিটকে যাচ্ছে আমাদের নৈরাশ্যনিবাসের দেয়ালে। পলেস্তারা খসছে। মুখ রাখছি অন্ধকারে। যন্ত্রণার নুন জড়ো করে ফ্রেসকোর প্রত্নসংকেত...
সংকেত ১ --- ভুল ট্র্যাফিক সিগনালে বাঁকহারানো ছোটনদী
সংকেত ২ ---সহজপাঠের দিগন্তে ঘোড়দৌড়ের মাঠ
সংকেত ৩ --- শপিংমল শাষিত রোদ্দুরসরণী
ফলতঃ চোদ্দকিস্তি মনখারাপের প্রথম এপিসোডেই বর্ণপরিচয়ের পাতা ছিঁড়ে রাখছে অনির্দিষ্ট সেনসেক্স। হারমোনিয়ামবেলা মুনিয়া মুনিয়া করে হারিয়ে ফেলল ক্লাসমেটের ডো রে মি...
পাশওয়ার্ড সভ্যতা দিগন্ত খোঁজেনি কোনোদিন
আকাশকুসুম চয়নিকায় জোছনাফেরত চাঁদ
নিতান্ত শৈলময়তার গল্প বলে
কিন্তু গল্পটা শেষ হয় না...
পড়ুয়ার পতনশীল লাশের প্রবল সংঘাতে ছিটকে যায় আরো এক চাঁদ। প্রতিফলনের সূত্রহীন। ফলে সূর্যপত্রের ফোটনকণারা অন্ধকার খোঁড়ে...
নতুন কক্ষপথ কেন্দ্রে রাখেনি সৌরতা
ক্রেডিটকার্ডের এককে গড়া ক্ষয়াটে বিশ্বায়ন
নাভিমূলে স্প্যাসটিক গর্ভচিহ্ন
লিখে রাখছে লজ্জা অনুচ্ছেদ
দ্বিতীয় এপিসোডে পা ফেলতেই হাতে এসে গেলো গিটকিরিবটিকা...
বটিকাবিজ্ঞাপনে পা ছড়ানো যৌবন
অনন্ত অনন্ত
.........ডেকে
...............ডেকে
ডিঙি সাজালো বসন্তবাগানের ফর্মূলা কষে
হাওয়াবেলুন ঠিকানা রেখেছিল
আকাশ এভিন্যুউ
ভালোবাসা রঙের বিদ্যুৎলতা লেপটেছিল ঘুড়িতে
লাটায়ের দুহাতে ক্ষণিক মৌসুম
বটিকাবিলাসীর এখন হরিয়ালী যৌবন
শিশিরজন্ম মুছে ম্যারাথনে
মোরাম বিছিয়েছে ডটেডবেলুন হাইরোডে
ফলম্ থেকে ফলানির তলানিতে যেকটা বচন ঘুরছে ফিরছে...
১। শতায়ু ভব এখন ভবানন্দের খেল, ফেলুর থেকে জীবন নিয়ে সহস্রায়ু সারং গায়
২। চিত্রগুপ্তের সূচিপত্র তুরীয়তলায় নাইতে গিয়ে ক্ষুইয়ে আসে দৈর্ঘ্য প্রস্থ
৩। বিন্দাসবাসী প্রকৃতির উপসর্গ হারিয়ে কোপ ডাকে অন্তসর্গে
ফলতঃ
হাড়ের ভেতর ঘাসলতানো সম্পর্ক
একা একা বসে বেহালা বাজায়
দ্বীপান্তরের ড্রইংরুমে
যৌবনগাথার মাইলস্টোনে হাঁপ ধরে এলে বেহালাবাদকের তৃতীয় এপিসোড, অপার চালশেমহিমা...
চশমা হারালে কুহেলিকা ডাকে সব মুখ
চিবুকের পাল তোলা রোদে গেরুয়া স্মৃতি
সন্ধ্যেফুরোনো চোখে কেদারের ধুন
গোপন রাখে গান্ধারের দীর্ঘশ্বাস
ডিজিটালবেলা সিন্থেসাইজড বিটে পা মেলালে পিয়ানোসন্ধ্যা স্মরণসভা ডাকে। ডাকের ভেতর পুরোনো সেই দিনের কথা। কথার গায়ে...
-আলতো আঙুল
-পুরোনো বাহুডোর
-ধুলোপড়া পিয়ানোরিড
অন্ধবিন্দুর হারানো প্রতিবিম্বে ফোঁটা ফোঁটা অপত্যস্নেহ
জবাকুসুমের গল্প শোনায় ব্লন্ডির ঋতুমাফিক রঙমহলকে
মনক্রোম আলবামে তখন মেঘমর্মর চুল
টুপ...টুপ...
কার্টিলেজ ক্ষয়ে যাওয়া হাঁটুতে লতিয়ে উঠছে বিষণ্ণ সন্ধ্যা। সময়ের কোষে কোষে সাজানো জিনোম রহস্য শীতগন্ধের গল্প বলে। শব্দ আর অক্ষরে পালটে নেওয়া পাঠ্যসূচি কোমল মধ্যমের প্রলেপ লাগায় বলিরেখার গায়ে...
প্রেসবায়োপিক করিডোরে হাত রেখে
বয়ঃসন্ধির বসন্তবৌরি
হেসে উঠলেই
যামিনী পাখিরা ভোর ডেকে ওঠে
শূন্যপুরাণ গাঁথা ফুসফুসে
Monday, December 27, 2010
কলকাতা ২০০৭
ওখানে প্রেমের অসুস্থতা অথবা সুস্থতার কারণে অসুস্থ বিল্ডিং আর চুড়ুই পাখির মত আন্টিরা উড়ে উড়ে চলে গেলে ছোট আর বড় মানুষ যত বড় তত ছোট হতে হতে কর্ণধার কিসের কর্ণ ধার আমাদের সকল প্রকার ক্রিয়াকলাপে প্রলেপ লাগাও সকল ক্রিয়াকলাপ হলো বাঙ্গলা নেলপলিশ
প্রেমের প্রবল অসুস্থতা-জাত বাঙ্গলা বই চকচক করছে হাতে নিউমার্কেটে ব্যাবসায়ীর দাঁত, ফরেনারের মৃদু অস্বস্তি-জাত ট্যাক্সি থেকে নামা আর কড়া রোদ কড়া রোদে কিছু ট্যুরিজম বিষয়ক লিটারেচার যোগার করেছি
*** *** ***
মিউজিয়ামের অলিতে গলিতে আমরা শুনি যাকিরের প্রেম উড়ে যাওয়া আমরা যখন ট্যাক্সিতে ও তখন চুড়ুই পাখির মতই ধুসর দালান গুলোর ফাঁকে ফাঁকে উড়ে যেতে লাগল বিকালে অনেক রোদ তোমার চুলের ফাঁক দিয়ে গলায় মালার ফাঁক দিয়ে যখন চামড়ার উপর বিলি বিলি কেটে যায় আমি তখন ভিনদেশী সময় পরিভ্রমণকারী আমাদের সময় আমাদের হাতে ধরে পায়ে ধরে ঠিক ঠিক পুতুল হলেও কতনা স্বাধীনতা কত মোলায়েম মানুষ মানুষী মানুষীর মানুষ একটা কোট গায়ে গা ঝাড়া দেয় আমরা যখন যাকিরের প্রেমের পিছু পিছু নিচু ডাল
*** *** ***
যে যাকে চেনে সে তাকে তত ধামকি ক'রে মরে গেছে আমাদের সামর্থ্যকে পরীক্ষাগারে রেখে চেটে পুটে ফর্মালিনে মৃত গিনিপিগে কালোপাখি অথবা আন্তরিক হাসিকতায় তুমি স্বাগত আন্তরিক চুমাতে আর বিকাল বেলার রোদ লাগাব গায়ে
নয় ছয় নয় ট্রামের ঘণ্টি বাজলে উঁচা উঁচা বিল্ডিং ঝলসে চাঁদেতে তুমি জান কিনা কিনা জানিনা এরা মানে বিল্ডিঙেরা সেক্স করে গাছেদের সঙ্গে আমরা যখন ঘুমিয়ে যাই বাতাসের ঝাপটারা এসে
ক্রন্দন করেনাই পাখি নাই শালিক কালো চকচকে পাখি এসে তড়পায় - তাদের ধুকপুকে বুকে
মলিন চাঁদের আলোয় লিখে রেখ কথাগুলা
*** *** ***
"মানুষ কথা বলা শুরু করে সাহিত্য দিয়ে" না সাহিত্য দিয়ে ভেঙ্গে যাক মুখাবয়ব মুখের শক্তি ভেঙ্গে ভেঙ্গে অন্তরালাপগুচ্ছগুলা মিশে যাক ট্যাক্সিতে হলুদ চামড়া হোক বলদের কালিকাটা বুরুশ নদী শক্ত মাটি হয়ে মিশে যাক বন্দরনগরীতে না কথা বলা শুরু করেনা মানুষ না দিয়ে সাহিত্য বিহীন কথা বলে ঠোঁট দাঁত গোপনীয়তা হালকা সমস্যারা মাঠের উপরে তিরোহিত জড়ো হয় ফেস্টিভালে তুমিতো দেখনি চন্দ্রআলো 'চন্দ্রালো'- এইভাবে সন্ধি করলে পর
জড়ো হলো বিষাদের মাপকাঠি ধুকুপুকে হৃৎপিণ্ড আমার হাতের বাহুজুড়ে বলদের কালি হলো মূখ ঠোঁট আঙুলের তীক্ষ্ণ নখর হলো প্রচণ্ড সুন্দর ফলতঃ না মানুষ না কথা না বলে না সাহিত্য দিয়ে না
Monday, December 20, 2010
আরো কিছু লেখা ...
এগুলো সম্ভবত অন্য কোনো ফোরামে কেউ কেউ পড়ে থাকতে পারেন (অনেক আগে) ... তারপরও আবার শেয়ার করলাম
কত যে খুঁজেছি
খচিত হোক বিবাহ আর বিবাহের আংটি খচিত আঙুলেরা সাদা আঙুলেরা সংসার ধর্ম হলো কাঁচাবাজার
ওখানে মাঝরাতে দোতালায় গাঁজা পাওয়া যাবে
আরেকটু তীক্ষ্ণতা আরেকটু পাখির পালকে সুন্দর সকালবেলারা ভরপুর রোদে নেয়ে গেয়ে খেলে হেসে যাবে subaru ঝলকাক আইডিবি ভবনে ঝলকাক আরো কিছু নাগরিক হতে হতে নগর হয়ে গেল টিস্যুপেপার হয়ে গেল টাকা পয়সা ইত্যাকার লোভ লালসা হলো কালো কালো ময়লা হলো সংসার ধর্ম
ওখানে বিকালে গঞ্জিকা পাওয়া যায়
গঞ্জিকা হলো ফুল হলো গঞ্জিকা হলো বিশাল প্রতিষ্ঠানের ভিতরে গবেষণারত পুস্তক বলিল দাঁড়াও নগরবর - তিষ্ঠ ক্ষণকাল - তোমাকে সার্চ করব - পকেট থেকে বাইর করো ছুরি মেটাল ঝকঝকে পয়সা এবং এ্যাবনরমালদের ধরে বেঁধে দূরে রাখা দূরে রাখা এনটিটি গাঁজা সাইকোলজিকালি-কতা খুলে ফেল ধামাধ্বাম আর তিষ্ঠ ক্ষণকাল
ওখানে বিকালে রোদ পাওয়া যাবে তির্যক
হাসি পাওয়া যাবে ঠাট্টা আর সাইকেলের চাক্কার মত ঘুরতে থাকা বালকেরা - ওদেরকে হরিজন বলা হয়েছিল নাকি - হরির জন বলে বলে শেষমেশ যাঁহারা গালির আখ্যা দিলেন
তাহারাও প্রতিষ্ঠান আর প্রতিষ্ঠান-বিমূখতা গায়ে মেখে কাজলে কালো কালো চোখ আঁকিলো তানসেনের স্ত্রী
আমরা মর্মাহত প্রস্তরীভূত ফিরে আসি গাঁজা না কিনে গাঁজার ফুল হলো গিয়ে অজগরের গায়ের মত করে সোনালি সবুজ চকচকে ঠোঙ্গা ফকির পিতা মাতার সাথে দুপুরকালীন চকচকে খাদ্য স্ত্রী ঢং subaru প্রতিষ্ঠান কাক মাছ বদন তিষ্ঠ কবর সমস্যা সাবান
স্ট্রিং প্রসঙ্গে চার
[এক]"আর্রে সে তো কিরকম নিজের মত গান গাইয়া গেল - তাইনা?" নিজের মত করে গরুর দুধ দোয়ানো -
চশমাটারে টাইনা নেওয়া চোখের উপরে
"তুমি কি নিছ এখনো কার্যকলাপ?" কার্যের রঙ রামধনু রাঙা - কার্যের রঙ
একেলা ডেরাইভ করা গাড়ি লাল বাতি থেইকা সবুজ হইলে পর
নাচিয়া যাই হাঃ হাঃ
নাচিয়া নাচিয়া
তুমি যা বুঝতেছনা - তার পিছনে আমি
সকল বুঝিবার ঘণ্টি বাজাইয়া যাই
অথবা - এইরকম মনে করি,
'মনে' বলিতে পুনরায় মনে পড়ে 'ক্লদ মনে' - এর পরিচারিকার রূপের পিছনে
আছে নাকি - স্ট্রিং থিওরি অনুযায়ী আরেকটা জগৎ -
আরেকটা জগতের অনুভুতি
জমে আছে মনি ব্যাগে - আমি গুনিয়া গুনিয়া আজকে
দাম মিটাইয়া গাড়িতে একেলা দেখি
লাল আর সবুজ বাতির বর্ণের কারসাজি ...
[দুই]
সকল সময় আপনের পিছনে পড়ে আছি, সময়
দুই ঘণ্টা পরে দিয়ে আপনের বাসে [bus-এ] আমি ভুত
হয়ে ভেসে যাই - যেসকল স্মৃতি পড়ে থাকে - সেগুলা কুড়াই
বাস যাত্রী চশমা ঠিক করে - নড়ে চড়ে - আমি
ইলেকট্রন ঠিক করি, আচ্ছা - ইলেকট্রনের মধ্যে নাকি
স্ট্রিং থিওরি - কাঁপতে থাকা স্ট্রিং ...
... এই ব্রহ্মাণ্ড হয়ে ঐ ব্রহ্মাণ্ডে চলে যায়?
আমি ভাবি ঐ ব্রহ্মাণ্ডে পর-নারীর ব্যাপারে
কঠিন শর্ত আছে কিনা - ধর্মের
গ্রন্থ আছে কিনা আমি নিদারুণ
ধর্ম ছাত্র হয়ে শুনতেছি মানুষের কার্যকলাপ -
একটা দিন যোগাযোগ না হলে
দুনিয়ার সমস্ত রূপ ভেঙ্গে যায়
[তিন]
এইবার স্প্যানিশ এরিনায় ম্যাটাডোর - লাল কাপড়ে
যত্রতত্র - কাছে আসো হে - ফুলের মত
আড়ম্বরহীন দুই চক্ষে বাঁধি কাপড় - দুই চক্ষে
মাটি ছেড়ে যাওয়া বিমানের হাঁসফাঁস
গুড়া গুড়া হয়ে ভেঙ্গে পড়ুক কাম পরবর্তীকালের ঠিকানা আর উৎসব
উৎসবে বিনা আড়ম্বরে তোমার সমস্ত গা, স্ট্রিং
[চার]
আমার কোনো দর্শন নাই - আমি ভাবি ঐ স্ট্রিং কিরকম চুষে চুষে খায় অন্য ব্রহ্মাণ্ড - অন্য ব্রহ্মাণ্ডে আমি - আসলে কিন্তু আমি না - ওখানে অন্য কেউ আছে আমি এই ব্রহ্মান্ডে অংক করি - খাতা থেকে যুগপৎ অংশ কেটে নেই - হ্যাঁ ওটা হলো গিয়ে ফোর বি পেন্সিল
জোরে টান দিলে জোরে টান - কম টান দিলে আধা খ্যাচড়া দুপুর - ফ্লাওয়ার 'ভাস'-এ - ফ্লাওয়ার মানে ফুল - ফ্লাওয়ার মানে এরকম শিখালো বাচ্চাদের মা বাবা শিখালো স্কুলে গিয়ে যেইসব শিখতে হয় - স্কুলের সম্বন্ধে আমার কিছু বলার নাই - ঐ বেতনের হিসাবটা করতে হয় বাবা মা করে থাকে আর সামাজিক অবস্থানে কে কতটা কোন লেভেলে - বাচ্চার সহপাঠীরা তো দু চার কথা বলবে - স্কুলের টিচারের সাথে টিচার - সে নাকি খুনসুটি করে মাঝে মাঝে (সুযোগ পেলে) - যেটা আসলে স্ট্রিং-দের কাছে সম্ভবত গুরুত্বপূর্ণ কোনো ব্যাপার না -
খুনসুটি সকলে করে - অঙ্গের মিলনে - মনের মিলনে নিজেকে হারাইয়া ফেলা নিজেকে অন্যের মাঝ দিয়ে
কিভাবে কিভাবে যেন খুঁজে পাওয়া - আকাশে তারা আছে আকাশে কিরকম যেন না জানা - আকাশে রোম্যানটিক দৃশ্য আছে
'তারা' মানে যা দিয়ে অন্যেরে বশ করা যায় - শেক্সপিয়ারের মুখরা রমণী - ওখানে আকাশের তারা ছিলনা - বিড়াল ছিল - ছিল কিছু বাস্তবিক সূত্র - ফিজিক্স বিষয়ে চারটা অনুসিদ্ধান্ত - আমি তারপরে কোয়ান্টাম চুষে চুষে স্ট্রিং চুষে
অন্য ব্রহ্মাণ্ডে খুঁজে যাইতেছি তোমার পিছনে অন্য কোনো তোমারে
খুঁজে পাওয়া যায় কিনা
সোয়ান্সটন স্ট্রিট এ গাড়ি চালাতে চালাতে
সোয়ান্সটন স্ট্রিট এ গাড়ি চালানোর মত বিধাতা আমাদের ধরে রেখেছেন
এই যে এরকম এই যে বিশেষণ উদ্বায়ী
রাস্তা ডিভাইডার
ডিভাইডারের রেখা
আমি যদি পড়ে যাই গাড়ি থেকে গাড়ি চালাতে চালাতে
মুণ্ডুপাত। আমরা যদি রাস্তার দিকে যাই
অথবা আকাশের দিকে সুনীল
বিদ্ধস্তেরা এসে ঝরে পড়ে এসে ঝরে পড়বে সোয়ান্সটন
স্ট্রিট-এ হে ইতিহাস
তুমি একটা তৃতীয় বিশ্বের মত গুরুত্বহীন
তোমাকে নিয়ে ফুচকা খাব ফুচকার বিল দেব
আমি বিদেশিনী
বলব জন্মদোষে খুব সূর্যোদয়ের মত হাসি
অথবা আমি ম্যানহোল - ঢাকনা ছাড়া
অথবা রিকশা পেইন্টিং
সোয়ান্সটন স্ট্রিট এ গাড়ি চালাতে চালাতে আমি উদ্বায়ী
Saturday, December 18, 2010
রাদ আহমদের কবিতা
Tuesday, December 14, 2010
santanu bandopadhyayer kabitaa
Sunday, December 5, 2010
Wednesday, December 1, 2010
হিরণ্ময় ইশারা
হিরণ্ময় নৈঃশব্দ্য এক
শব্দের ভেতর হেঁটে আসা সমূদ্রপথ
বিমুগ্ধবন্দরে নোঙর নামাচ্ছে হাইব্রিড যাপন
সান্ধ্যনাট্যম থেকে সাজখসানো অভিনয়
মাইমমোহন করছে ড্রইংরুম
পুরোনো পাঁজর ঘেঁষে লাবে ডুব দেওয়া সময়বন্ধনীর খুলে রাখা ব্র্যাকেটগুলোঃ
- লভ্ থেকে কেটে রাখা লভ্যাংশ
- শোণিতমগ্ন বিহ্বলতা
- কামুফ্লাজে রাখা বার্তাসমূহ
- ইশারাপাখির ডাক
আসলে সময়ের কোনো বেজে ওঠা নেই
মোহপুরাণের ব্যান্ডখোলা কাল
জন্মলগ্ন থেকে অশ্রুত রয়ে গেছে
অনন্ত শূন্যের বৃশ্চিকসরণীতে
সূত্রমন্ডলীর টেনে রাখা ছড়ে গুটিবাঁধা অভিমান
নিঝুম নক্ষত্রে ফেলে আসে নাভি
আঙুলে জড়ানো শব্দেরা নৈঃশব্দ্য ডাকলে
ইশারাসুদূর নক্ষত্র সমাবেশে জেগে ওঠে
আরো এক গহীন অশ্বিনী
