Showing posts with label bangla poem. Show all posts
Showing posts with label bangla poem. Show all posts

Monday, December 27, 2010

কলকাতা ২০০৭

আমি যত ভালোবাসি আমি তত দূরে দূরে ঠেলে ঠেলে খুব কাছে আমি যত মাঠ দেখি মাঠে খেলা করতে দেখি বাঙ্গলা বই

ওখানে প্রেমের অসুস্থতা অথবা সুস্থতার কারণে অসুস্থ বিল্ডিং আর চুড়ুই পাখির মত আন্টিরা উড়ে উড়ে চলে গেলে ছোট আর বড় মানুষ যত বড় তত ছোট হতে হতে কর্ণধার কিসের কর্ণ ধার আমাদের সকল প্রকার ক্রিয়াকলাপে প্রলেপ লাগাও সকল ক্রিয়াকলাপ হলো বাঙ্গলা নেলপলিশ

প্রেমের প্রবল অসুস্থতা-জাত বাঙ্গলা বই চকচক করছে হাতে নিউমার্কেটে ব্যাবসায়ীর দাঁত, ফরেনারের মৃদু অস্বস্তি-জাত ট্যাক্সি থেকে নামা আর কড়া রোদ কড়া রোদে কিছু ট্যুরিজম বিষয়ক লিটারেচার যোগার করেছি

*** *** ***

মিউজিয়ামের অলিতে গলিতে আমরা শুনি যাকিরের প্রেম উড়ে যাওয়া আমরা যখন ট্যাক্সিতে ও তখন চুড়ুই পাখির মতই ধুসর দালান গুলোর ফাঁকে ফাঁকে উড়ে যেতে লাগল বিকালে অনেক রোদ তোমার চুলের ফাঁক দিয়ে গলায় মালার ফাঁক দিয়ে যখন চামড়ার উপর বিলি বিলি কেটে যায় আমি তখন ভিনদেশী সময় পরিভ্রমণকারী আমাদের সময় আমাদের হাতে ধরে পায়ে ধরে ঠিক ঠিক পুতুল হলেও কতনা স্বাধীনতা কত মোলায়েম মানুষ মানুষী মানুষীর মানুষ একটা কোট গায়ে গা ঝাড়া দেয় আমরা যখন যাকিরের প্রেমের পিছু পিছু নিচু ডাল

*** *** ***

যে যাকে চেনে সে তাকে তত ধামকি ক'রে মরে গেছে আমাদের সামর্থ্যকে পরীক্ষাগারে রেখে চেটে পুটে ফর্মালিনে মৃত গিনিপিগে কালোপাখি অথবা আন্তরিক হাসিকতায় তুমি স্বাগত আন্তরিক চুমাতে আর বিকাল বেলার রোদ লাগাব গায়ে

নয় ছয় নয় ট্রামের ঘণ্টি বাজলে উঁচা উঁচা বিল্ডিং ঝলসে চাঁদেতে তুমি জান কিনা কিনা জানিনা এরা মানে বিল্ডিঙেরা সেক্স করে গাছেদের সঙ্গে আমরা যখন ঘুমিয়ে যাই বাতাসের ঝাপটারা এসে

ক্রন্দন করেনাই পাখি নাই শালিক কালো চকচকে পাখি এসে তড়পায় - তাদের ধুকপুকে বুকে

মলিন চাঁদের আলোয় লিখে রেখ কথাগুলা

*** *** ***

"মানুষ কথা বলা শুরু করে সাহিত্য দিয়ে" না সাহিত্য দিয়ে ভেঙ্গে যাক মুখাবয়ব মুখের শক্তি ভেঙ্গে ভেঙ্গে অন্তরালাপগুচ্ছগুলা মিশে যাক ট্যাক্সিতে হলুদ চামড়া হোক বলদের কালিকাটা বুরুশ নদী শক্ত মাটি হয়ে মিশে যাক বন্দরনগরীতে না কথা বলা শুরু করেনা মানুষ না দিয়ে সাহিত্য বিহীন কথা বলে ঠোঁট দাঁত গোপনীয়তা হালকা সমস্যারা মাঠের উপরে তিরোহিত জড়ো হয় ফেস্টিভালে তুমিতো দেখনি চন্দ্রআলো 'চন্দ্রালো'- এইভাবে সন্ধি করলে পর

জড়ো হলো বিষাদের মাপকাঠি ধুকুপুকে হৃৎপিণ্ড আমার হাতের বাহুজুড়ে বলদের কালি হলো মূখ ঠোঁট আঙুলের তীক্ষ্ণ নখর হলো প্রচণ্ড সুন্দর ফলতঃ না মানুষ না কথা না বলে না সাহিত্য দিয়ে না