Sunday, March 25, 2012

The Mud Proposal

Finally, it is out
The MUD Proposal


A new journal of interdisciplinary poetic arts - The MUD Proposal is more of a journal archive launched from within Kaurab's domain, that will, through its biannual updates, display and archive complete or substantial parts of a poetry project. And by the way, it'll provide room for other texts that may not strictly and necessarily pass as "poetry".

At The Mud Proposal, the editors feel strongly that more time should be spent seeking rather than defending and that not enough can be done to muddy the waters. Those ripples have always been the breeding zone of relevant and necessary expression.

Any metamorphosis initiates at an epithelial level. It begins by rupturing the skin. The boundary. The veneer of separation that stands against epitaxies that in the pretense of feeling and mapping cultures actually prevents transfusion. The purpose of The Mud Proposal is to excite and showcase projects - literary and cross-media - that serve to hasten the transfiguration of one discipline, motive, tradition, medium, procedure and cultural practice into others through free-associations and meditated exchanges. "


The first update features projects by Tyrone Williams, Madhuja Mukherjee, Thom Donovan, Neelanjana Banerjee, David Baptiste Chirot & Pat Clifford.

Wednesday, March 21, 2012

Wild horses of fire & EFL

http://whof.blogspot.in/

Enjoy

By the way, Anupam is doing great too ! Started an English blog-- great poems

http://anupamefl.blogspot.in/

Monday, March 19, 2012

Indian poets writing in English

A nice site that shares some work by Indian poets writing in English

Not everybody in the list is strictly Indian though, especially Charles Simic...but he is an increasingly well known poet.

Monday, March 12, 2012

5

ফ্রেমগুলি একে একে কাত করে দেয়া
কবির কি ওই ব্যবহৃত ভরকেন্দ্র
মনে পড়ে যখন জটিলতা ছিল
একটা বই লিখতে পারবো এত নীলক্ষেতের তুলার দোকান
এত শুভ্র পাশবালিশ
সূতায় ঝুলছে। তুলা উড়ছে পেট্রল পাম্পে। আলিঙ্গন
আলিঙ্গন
আমার কি মনে পড়ে না
সবকিছু স্প্রিঙের মতো কাঁপছিল রোদের নিচে
এক ঝাঁকা বড়ই উলটে গেলো দুর্বোধ্য ফুটপাথে ঘামের ভিতর
ভেড়া গুণে গুণে
সমগ্র বিপ্র
চেতনা
একই মেঝে বার বার
মুছে চলেছে। একই ঘা ধুয়ে চলেছে
আব্দুল্লার রিভলবার
কাপড়ের নিচে লুকানো তার বোন দেখেছিল। আবুল্লার গুলিহীন পিস্তল
চার রাত ধরে '
দেরাজে কাপড়ের নিচে
টুকরা টুকরা মায়া
আমি কিছু ব্যবহৃত মায়া
আলপনা উঠে যাওয়া সিঁড়ি ধরে নামছিলাম ফুলের মতো
দুর্বোধ্য আজান
আরবি ক্লাশে শীর্ণকায় আবদুল্লাহ
কেন ওইভাবে
নিরব হয় হাসি। যেইদিকে নিয়ে যেতে চাও
সেদিক সেদিক
কিন্তু যেতে চাও
যেহেতু ঘুরে তোমাকে দাঁড়াতেই হবে। যত দ্রুতই টকে যাক কোয়া। বলেছিল।
না তার বোন? ... ... ... মাথা ফাঁকা হয়ে আসে কবিরের। একটার পর একটা প্লেট জমতে থাকে চোখের সামনে। সাধারণ ভাগ ভুল করে। কোনো উদাসীনতা নেই
অস্তিত্ব একটা আকীর্ণতা মাত্র
মাঝরাস্তা থেকে যে ঝাঁপ দেয়
খাদে, পরিখায়
আর গুটিয়ে নিতে চায় নিজেকে
আরও ঘন এক অস্তিত্বের মধ্যে
অথচ ছড়িয়ে পড়তে চায়
চিহ্ন থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে চায়
--
আমার চিহ্ন জিরোচ্ছে তোমার চিহ্নের ওপর
ফুল ফোটা আর শুকিয়ে যাওয়ার মধ্যে
বন্ধ হয়ে এল কবরখানার দরজা
বন্ধ ঘরে যে দিকেই ফিরি
অস্বীকারে হাত ঠেকে যায়
চিহ্নের বিপক্ষে যত কথা হল
সব কথা চিহ্নিত হয়ে থেকে গেল
মাঝখান থেকে
গুহাচিত্রের গায়ে আঙ্গুল দাগানোর
গল্পগুলো আবছা হয়ে গেল
আমাদের অভিসন্ধি, যুদ্ধবিরতি, জলছবি
সব
--

যেমন শূন্যতা একটা প্রবাহ
যা দৃশ্যমানতার কাছে এসে ভেঙ্গে যায়
আর সমস্ত কণাকেই মানানসই মনে হয়
স্থিতির বিপক্ষে, গতির বিপক্ষে
আমাদের আর কিছু বলার থাকে না
নীল দরজা থেকে
বেরিয়ে আসা কাতরানোর আভাসগুলোকেও
আর বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না
--
থেমে যাওয়া একটা প্রক্রিয়া যে
নিরন্তর গতির মধ্যে
ঝালিয়ে নেয় নিজেকে
আড়ষ্ট কাঁধ নিয়ে
আগুন পোহায়
পূর্ণতা নিয়ে ভাবতে ভাবতে
পূর্ণতা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়
ঘষটে ঘষটে এগিয়ে যায়
শূন্যতার দিকে
শূন্যতাসমেত
--

Friday, March 9, 2012

4

ধীরে ফিকে হয়ে আসে
কারো কারো হাঁটায় এতো শব্দ হয়... নিজের থেকে এসব সরিয়ে দিলে অন্য কারো বৃত্ত টেনে নিজের ভিতর কেমন একটা রোখ চেপে যায়। মন্দের ভাল। সত্য প্রকাশ পাবেই। কিন্তু ততক্ষণে মিথ্যারা যা করার করে ফেলেছে। ভুরুর নিচে কয়েকটা পেশী মুক্ত হয়ে কাঁপতে শুরু করে। পাল্লা খুলে এক তাক ওষুধের নাম পড়তে থাকে কবির। ক্লান্তি নেই একদম। দাবার ঘুটির মতো সাজানো, ফাঁদ পেতে তৈরি করছে পরবর্তী কোণ
পরোক্ষ, বেখেয়াল
সূতা জেগে আছে
ঘর জুড়ে অতীত
নেই
ভবিষ্যত নেই
পেছনপাশগুলি , একবার লিখে ভুলে যায়

তার পর প্রতিলিপি অন্য কোনো দিন , অন্য কোনো পাশ , ওই রকম আর ইচ্ছা করে না
মনে পড়ে না, মনে করতে ইচ্ছা করে না

ফিকে ভাল লাগে
এলিয়া ফিকে , কেন্দ্র বিকেন্দ্র না
অনেক বৃত্ত না জেনে
কোনোদিন
কী করে পাশ ফেরে
চশমা খুলে রাখে

চোখ ভাল হবার পর শেষরাতে বাতি জ্বালায় কবির
পুরানো লেন্সে
চোখ সেরে ওঠার মতো তন্ময়
যেন সেই দোষ ফিরে এলো
লোকমুখ
উপর থেকে যা কিছু দেখতে সোজা লাগে
মনে হয় পুরাতন
ফ্রেমগুলি একে একে কাত করে দেয়া

Thursday, March 8, 2012

বিশ্লেষণ থেকে যে তোমাকে ছাড়িয়ে আনে
আর মেলে দেয় অন্ধকারে
সমাধিক্ষেত্রে, লবিতে, রাস্তায়
নতুন এক বিপন্নতায়
সেও এক দ্বিধা

দ্বিধার পরত খুলে দেখ
তুমি নেই

কেউ নেই
--
বিস্ময় যখন
ঘনীভূত হয়
আর নিঃশব্দে অনুসরণ করে
আমাদের সমস্যাদের
উৎকণ্ঠাদের
আর আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নকল
করতে করতে হেরে যায়

মৃদু শেকলের শব্দ ছাড়া
আর কিছুই কানে আসে না
স্থিতিও না
--
আলো ও অন্ধকার দু’ই ক্রিয়া
পদ্ধতি নিয়ে, সিদ্ধান্ত নিয়ে
কোন মাথাব্যাথাই যাদের নেই
শুধু পরস্পরকে
প্রতীত করে তোলা
আবছা করে তোলা
ছাড়া কোন কাজ নেই

দ্বিধা ও বিশ্বাস
নেপথ্য বানায়
নিজেরাই অভিনয় করে
রোল বিনিময় করে
কুকুর ও শেকলের

এই সব এক মাংসল পৃথিবীর কথা
সংশয় ও সঙ্ঘাত ছাড়া যার কোন অস্তিত্বই নেই
--
আলো নিভে গেলে
স্পর্শ সরল হয়ে ওঠে
মুহূর্ত থেকে মুহূর্তের মধ্যে
পায়চারি করে
না দেয়ালের কথা, না জানলার কথা
কোন কিছুই আর মনে পড়ে না

দ্বিধাই যখন একমাত্র ইন্দ্রিয়
কোন ঈশ্বরের কথাই মনে পড়ে না
--
এরপরও কতখানি উদাস থাকবো ঈশ্বর
কতবার প্রার্থনার ভেতর
প্রকৃতির ভেতর সুস্থ হয়ে উঠতে চাইবো
দেনাশোধের মত সরল রেখা হয়ে উঠবো

নিরিখের ভেতর চিহ্ন খুঁজে পাচ্ছি না আর
ঘটনার ভেতর নিজেকে

স্তরে স্তরে সূর্য উঠেছে
স্তরে স্তরে গরমের ছুটি
--

Tuesday, March 6, 2012

এক ময়লা ফেলার দিন

উদাসীনতার বেড়া ভাঙে উদাসীনতা
গল্প শুরু হয় মৌনতা দিয়ে
যার সাথে আমাদের সম্পর্ক নিছকই কাব্যিক
ছাড়াও হারিয়ে যাওয়া সমীকরণ বোঝাতে
কাউকে প্রচলিত দেওয়ালের আশ্রয় নিতে হয়
বাইরে ময়লা ফেলার দিনটা মনে রাখাই বা কতটা জরুরী?
পরিত্যক্ত জিনিসে যে সঙ্গোপন লেগে থাকে
তা সর্বদাই পাগলদের মুগ্ধ করে
চোখের ইঙ্গিতকে কতদিন আর ভাষা বলব
পাগলটার সাথে আমার দেখা হয়
বাড়ির সামনে থেকে সে একটা হোম থিয়েটার বেছে নিচ্ছে
আমি তার টুকরো মেলানো দেখতে চাই
শব্দের সাথে দেওয়ালের পারস্পরিক সম্পর্ক জানতে
সচেতন হওয়া চাই নাকি?
আমার ডাক আসে মোবাইলে
কালো পলিথিন ব্যাগটা পাশ কাটিয়ে যেতে যেতে ভাবি
পরের ময়লা ফেলার দিনটা কিভাবে ও মনে রাখবে
শব্দের বাকি টুকরোগুলো কি পাওয়া যাবে সেই দিন?
পাগল চোখের ইঙ্গিত জানে না
ওর চোখের ভাষা বলে না ও ফিরবে কিনা
উদাসীনতার বেড়া ভাঙে
গল্প শুরু হয় মুগ্ধতা দিয়ে
সঙ্গোপন এক আসক্তি পাগলও যার পাশ কাটাতে চায় না

পাগলটা আমাকে ময়লা ফেলার দিন মনে করিয়ে দেয়
আমার মোবাইল বলে ওঠে
ময়লা ফেলাটা জরুরী
দিনটা মনে রাখা নয়

Monday, March 5, 2012

যে সমস্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে
চোখ বোজ, দেখ
তারাই অনুসরণ করছে
বরফের ওপর তোমার পায়ের লাল ছোপ
অথচ তাদের চিহ্ন
দেখতে পাওনি

আজ উত্তেজক মুহূর্তের মধ্যে
শক্ত ও বিহ্বল মুহূর্তের মধ্যে
তাদের স্বরূপগুলো যদি বিম্বিত হয়

একজোড়া পায়ের মশমশ
দাঁড়িয়ে পড়ে বালির মধ্যে
বরফের ধারণার মধ্যে

কোন বিশ্বাসকে বেছে নেবে ?

--

এই হল গতির কথা
যার অন্ধত্ব আমাকে চিরকাল অবাক করে
তথ্য থেকে বার করে আনে

আর এই হল স্থিতির কথা
যার দৃশ্যময়তা আমাকে তথ্যের প্রতি
প্রলুব্ধ করে

আর এই হল স্বচ্ছতার কথা
যা গতি ও স্থিতির মাঝখানে
আমার গৌণতা নিয়ে খেলে

--
এই সব স্থিরচিত্র
নিজেকেই করুণার কথা
নিখিলের পরে আরও যে নিখিল
প্রবাহে, মন্থরে
তার ছায়া বারবার
অক্ষরে লাগে
আর ধীর হয়ে আসে কথা ও করুণা

যোগাযোগের জন্যে রাখা যন্ত্রাংশ, ভীতি
সাবলীল ঘেরাটোপগুলো
---
ফলে যা পড়ে থাকে তা এক ভ্রমণ
পার্থক্য থেকে পার্থক্যের মধ্যে

আমাদেরও ভারসাম্যে পায়
কালো ও অনাদি সেই ভারসাম্য

আর অনন্তে কুকুরের ডাক বাজে
প্রতিশ্রুতিহীন প্রস্থানের মত

--
এরপর
অন্দর থেকে ছুটে যাই
আর একটি অন্দর সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে
অটুট, অগভীর
আর এক ভয় পেড়ে ফেলে
অস্তিত্বের কথা খুব মনে পড়ে
হাঁটতে শেখার দিনে
এক ভারসাম্য থেকে অন্য
ভারসাম্যে গড়িয়ে যাওয়ার দিনে
--

Sunday, March 4, 2012

কা ও খ -৩

সুতরাং গল্পগুলো তৈরি হয় ধাপে ধাপে। এত শ্লথ গতিতে
যে ওদেরকে ঠিক গল্প বলে ডাকার উপায় থাকে না

প্রতিটি সামঞ্জস্য আর প্রতিটি সবুজ
ক্রমাগত
বিস্তারে ছাড় দিতে দিতে, তোমাকে বলিষ্ঠতা দেয়
শেষ করে আনে, শূন্যতা পূর্ণতা একাকার করে দেয় মনের ভিতর
এমন বলেছিল কি না

ক্রমাগত,
ফেলে রাখো সূচনাচিহ্নের মায়া, টার্মিনাল
গৌন হও তুমি, গৌন হতে শেখো
চাও বা না চাও
যোগাযোগ হবে প্রেক্ষাপটের
নিজস্ব তূলনার ফ্রেমে
ধরবে তোমার ডিফর্মিটিগুলি। তোমাকে ঠিক করতেই হবে তুমি কতখানি চাও
পুনর্বিন্যাস, কবিরের গল্প হতে। গল্প হলো হাসির অন্যত্র
আশা
অন্যায়
এসব ফেলনা জিনিস না তো
অযুক্তিতে রাগ করো না

তুমি ভেবে ঠিক করে আগাতে পারবে না
কতদূর আগাবে ঠিক করে ভাবতে পারবে না। ঠিকের আগে তোমার অন্যত্র
তোমার জন্য বিকন সাজিয়ে রেখে গেছে

Saturday, March 3, 2012

কার তফাৎ কত দূরে
স্বস্তি ও শ্রাবণে মনে পড়ে
অচেনা মুখের পাশে হেলে থাকে
ছায়া, বিপন্ন ষাঁড়
চুবড়ি ভর্তি তুলনা নিয়ে খেলনা বিক্রেতা
আর নির্মাণের কথা মনে পড়ে

আমাকে মনোযোগ করে রেখে দেবে—এও তো বিশ্বাস
দানানো শেকলে
আর যোগাযোগ পর্যন্ত দৌড়ে যাওয়া দেয়াল

শব্দ হয়, ভাষা হয়, নিভৃতিও খানিকটা
আড়াল থেকে অন্য আড়ালে চলাচল হয়
কিছুটা বিস্মৃতি ধরে স্বস্তিকে
শ্রাবণে যাদের মনে পড়ে তারাই তো রবি !
বিহনে যাদের মনে পড়ে – সেই নিজ মুখ
এও তো ঘটনা

তবে শূন্যতা ? সেবাসদনের কাচে গ্রহণযোগ্য পীড়া
আলো ও মন্থর –কিছুটা জটিল হয়ে নিজের কাছেই ফেরা
এইসব শূন্যতা নয়

একটু অস্থিরতা, একটু প্রমাণ
সাপেক্ষ হয়ে ওঠে সহজাত ভরাটের ক্রমে
--
অর্থাৎ মাংসও একটি অনির্দেশ
যে ভাবে বিমূর্ততার কথা ভাবতেও
স্পষ্টতার দরকার হয়
এক বিচ্ছিন্ন অসীম নিজেকে সেলাই করতে করতে
ক্লান্তির সম্ভাবনাগুলো উগরে দেয়
সংহত কোন ভাবনাই তখন আর যথেষ্ট নয়
তারপর নিজেদের সংস্পর্শে এসে আমরাও হাত খুলে রাখি
শাস্তির আভাসগুলি
কোন বিপন্ন বিস্ময় কোথাও আর ক্রিয়াশীল থাকে না

কোন শ্রাবণেই সূর্যের প্রয়োজন বোধ হয় না ।
--
তারপর বুনো জন্তুর মত ছুটে আসে
সত্তা—আর সশব্দে ঘুমের মধ্যে মাথা গলিয়ে দেয়
প্রচ্ছন্ন হয়ে থাকা ছাড়া উপায় থাকে না
ধীর ও প্রচল হয়ে থাকা ছাড়া
শেকল আর কুকুর দুই জরুরী অভ্যাস হয়ে ওঠে

--
নিজেকেই নির্বাসন দিই, পুরু ও ঘোলাটে দ্বীপে
সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে
সারল্য একটা মীমাংসা মাত্র হয়ে থাকে
নিজেকে আশ্চর্য করে হেসে উঠি
গান গাই
দেয়ালের রঙ নিয়ে কথা বলি
আর তদারক করি আঘাতের, রক্তের
উৎকণ্ঠার
লম্বা প্রেরণাগুলো হেঁটে যায় ছোট ছোট পায়ে ।

বি ও খ -২

কোথায় লিখছো। মন ভাল করে দাও। টুল, পিকনিক, দীর্ঘ দীর্ঘ আলামত
গোয়েন্দার অপেক্ষারত
যেনো তেনো একটা চিহ্ন বলো দেখি। নিঝুম দোতলা বলো
নরোম রোদে এক ছাদ শুকনা ব্লাউস
শ্যাওলা। অনেক গাঁজা খেয়ে লাশ কাটতে হয়

এখানে সেখানে রঙ চটে যাওয়া মেঝের উপর দাঁড়িয়ে আছে কবির। কিন্তু ছিঁড়তে পারে না। মায়া হয়
বুড়া আঙুলে ফাঙগাস
নানা আঁকিবুকির ভিতর ক্রমাগত মনে হতে থাকে রতন মারা গেছে
রতন ডোম তাকে মর্গে ঢুকতে দেয় নাই
বারান্দায় কিছু ডোম বসেছিল দুপুরবেলা। নিজেদের ভিতর বিহারি ভাষায় কথা বলছিল। ঢুকতে দেয় নাই বলেছে আম্মা বকা দেবে। আমি এক ব্যাগ পেঁয়াজ হাতে
দুপাশে সারবাঁধা তালার মধ্য দিয়ে হেঁটে চলে আসি
সহজ কথা নাকি
কতকিছু চেপে যাওয়া হলো
হাসি সেরকম না। এবং বাঁকা সেরকম না। ভ্যাপসা গরমের পর বাতাস ছেড়ে বৃষ্টি নামে
লিচু , আম ভাল হয়। উহ্য রাখে। ভুট্টা পোড়া গন্ধ মিশে যায় এখানে সেখানে
শ্লেটভরা দাগ অদল বদল করে

কাপড় জামার স্তুপ সরিয়ে কিছুই পাওয়া যায় না
সূঁতাছেড়া বোতাম। পুরানো আইটিনারি
প্ল্যাটফর্মে গলিয়ে নেয়া ট্রেন
হাসি বুঝতে পারে কুঙ্কুদেশে লিচু , আম ভাল হয়। কবির পারে না। এক দেরাজ কাপড় টেনে খোলে
অন্যপ্রান্ত এই রকম একটা চাওয়া কবির টের পায় বাইরে যাবার
টের পায় উন্মাদনা প্রশান্তির বাইরের কিছু না। শুধু কেমন এক ভান। বিব্রতকর
জানালা দিয়ে মাথা বার করে অপেক্ষা - কখন আসবে অপ্রত্যাশিত বাঁক
কখন দেখা যাবে রেলগাড়ির আগাপাশতলা -
প্রথমে খারাপ লাগে। তার পর হাসি পায়। হাসি জানে, বাঁকেরও নিজস্ব কন্টেক্সট আছে
এর বেশি তেমন কিছু অনুমান করতে চাওয়া ঠিক না

Friday, March 2, 2012

এরপরও উত্তরের জন্য অপেক্ষা করে
আমাদের ছায়ারা
সন্দেহের মধ্যে ডুবে যেতে যেতে
ভোর ও আলোর কথা ভাবে
নবীকরণের কথা
এক প্রাচুর্যের কথা
অবধারিত এক প্রাচুর্যের কথা
--
সমস্ত পথই একএকটা সিদ্ধান্ত মাত্র
বিবাহসূত্র ছিঁড়ে
ছুটে যাওয়া
জুয়ার টেবিলে
শিথিলতা আর তার পূনর্বিন্যাস
প্রকল্পের কথাও ভাবি
চামড়ায় দাগানো বিশ্বাস
যেমন মানুষের জন্য অপেক্ষা করে
ঠোঁট উঁচু করে অন্যমনস্কতায়
ঢুকে যায়
--
খুব অতিরিক্ত হয়ে ছিলে
পর্যাপ্ত গতিহীনতায়
ঘুম এসেছিল, মুখে আলো পড়ছিল তবু
ত্রুটি্ময় বাতাস বইছিল
বাতাসের চার কোনা উড়ে যাচ্ছিল

এইসব অস্পষ্টতাই আমাদের চিহ্ন
নির্মানের গায়ে
আমাদের বিভ্রাটই আমাদের প্রকৃত নির্মাণ
ক্রিয়াশীল, নিরন্তর – অনায়াস

--
তবু সত্য নয়, প্রত্যাশা ও প্রত্যাশার মত সব জানলা
স্বাস্থ্যকামী বিপন্ন ভ্রমণ
তোমার আদলে, ভাষা এসে পড়ে
ভাষার স্পর্শ
স্বভাবত কর্কশ, খড়খড়ে
আর তাই দৃশ্যমান
ঘাড়ে, নখে

--
যে ভাবে প্রশ্নপত্রের কাছে
সে ভাবে স্মৃতির কাছে
যাওয়া
যাওয়া লেগে থাকে অবনত ডোরবেলে
পরিকল্পিত
সমস্ত আভাসের কাছে
পুরোদস্তুরে
--
এরপরও ঋণি থাকতে হবে
পদ্ধতির কাছে ?
প্রমাণের জন্য, কয়েক মুহূর্তের স্তব্ধতার জন্য
ঘুমিয়ে পড়তে হবে নির্মাণের মধ্যে ?

ভুল-চুক কোথা যায় ?
কোথা যায় সকালের চিনি ?

খানিকটা অভাবনীয় যা
তার অর্জন কোথায় লেগেছে ?

এস, আমার অমনোযোগে বস
দুদন্ড ঋণি থাকি নিজেদের কাছে
--