পূর্ণতা এমন
যেন প্রয়োজনীয়তাবোধ
নদী ও জলের
হেরে যায়
অস্তিত্বের
টানে খসে পড়ে কাক
সাঁজোয়া
গাড়ির চাকা মেচেতার দাগে
অনুকম্পা জড়
করা সেবিকার মুখ
আঁধার আমার
ভাল লাগে
আমার আধার
কোন খানে
---
উনি তো ছিলেন
পাটের
দালাল, গায়ক,
সুরকার তাও অনেক
দিনের কথা একই
বৃন্তে দুটি কুসুম
পঙ্কজ, মল্লিকা পাটের
ফলন নিয়ে
মাথা বহুকাল
ঘামানো হয়নি
ঢেউ ও
জাঙ্গাল দেশে
চটকল বন্ধ হয়ে এল
তবে ভরসার
খবর হল বাঁধনের
অভাবে
কেন্দ্রের চ্যুতি হয় তবু
শূন্যতা নয়
কেন্দ্রকে তারল্যে পায়
তরঙ্গ এমন
যে স্থির স্থানু
গতিপথহীন তবু
এই ছিল এই নেই
আর সর্বক্ষণ
আছে চোখে ও চোখের আড়ালে
তবে লোকে বলে
ঘর বাড়ি ভালা না আমার
লোকে বলে
বিজ্ঞান
যেখানে শেষ হল
সেখান থেকেই
দর্শনের শুরু
ওহ লোকে
কতকিছু বলে
আমার
করুণাগ্রন্থি আদ্র হয়ে আসে
কল্পনা বেঁচে
থাকে অ্যানালজি উপমা
সম্পৃক্ত, দর্শন যে স্ট্রাকচারে বাঁধা কল্পনা
লোকে বলে না বলে
নারে...
যেখানে
বিজ্ঞান সেখানে কল্পনা পরিচিত
পৃথিবীর চটকল
সমুদ্র পাহাড় পেরিয়ে অসীম
হে রবি, হে
চন্দননগরের বাঁধা ঘাট
পঙ্কজ মল্লিক
মেঘলা বাথরুম
এমন দিনে
কারে বলা যায়
কারে বলা যায়
বায়ু বহে
পূর্ব সমুদ্র হতে
সেই বায়ু
চিকেন টিক্কা আর মিঠা আতরের
পশ্চিম বায়ু
এক প্রক্সি যুদ্ধে
আফিমের বুঁদে
ঘন চীন উপকুল থেকে
ইতিহাস সাবড়ে
নিয়েছে
এমনও দিনে কেন্দ্র-র
চ্যুতি নিয়ে
সম্প্রীতি
নিয়ে নাগরিকতার অস্তিত্ব নিয়ে
বিশ্ববোধ
নিয়ে অবার দুয়ার মোর
জঙ্গলে
অগোচরে যে মোর নেচে গেল
কেউ না
দেখলো যারে
কী ঘর বানামু
আমি শূন্যেরো আধার
যে খানে
শূন্য নেই গতির মাঝারে
দ্রুতির
মাঝারে অনিয়ত আকার যাহার
সেই
খানে ঘর বাড়ি ভালা না আমার
--
আমাদের
ক্ষতের আড়ালে যে বেঁচে
আছে সেই রূপকথা
বাতাসে ক্ষতের
ছায়া, তার
ভারে পাওয়া অবয়ব
আয়নায় সিপিয়া ছবিতে
চিত্রনাট্যে
স্কুটারের চাকা আর কেজিদরে
বেচা
মার্কশীটে তার লাল সোয়েটার
ঘোরা ফেরা
করে ডালের বাটিতে
স্যালাদের
সন্দিহান প্লেটে
প্রাণে কী
সম্মতি ছিল ! পৃথিবীর মাঝ
মধ্যিখানে
কোথাও স্বদেশ ছিল
কবে যেন
লাস্ট ভালো থাকা
কবে যেন ভাল
ছিল মন
আমার
অনীহা আজ আমায় টেনেছে
দারুর
টেবিলে যত তুমি মন খারাপের
কথা বল আই হ্যাভ লেট ইউ ডাউন তবু
আমার
আঁধার ভাল লাগে
রূপকথা
ছাড়া কিছু তরল আধার ছাড়া
আমার কাহিনী
কোন খানে ?
--
কোনখানে
গলনাংকে ভর করা জিভ
শব্দময়
পৃথিবীর কিনারে ব্রোঞ্জের বেহালা
বাদকের
দৃশ্যত সুশোভন ক্ষেত্রজ আলে
ভূমিহার মানুষের কর্ষণস্পৃহা দেখতে দেখতে
বোর হয়ে
যায় এই ঘনঘোর বরষার দিনে
সামন্তবাদগ্রস্ত ঝরঝর মুখর বাদর দিনে
রাম রতন
খোঁজে অনলিংকৃত টাড়ে
বেনারসী
বিধবাগলিতে পানের গন্ধে
বুক
ঝাঁজিয়ে উঠছে তবু
হে বিহং মোর
মলিন প্রাণের
পরে প্রাণ দিও যত খুশি
দৃষ্টি দিও
না –
--
দৃষ্টি দিও
না চোখে আজো গেঁথে আছে
খাগের
কলম খসে পড়া সুতিবস্ত্র
বসন্তরজন ক্রীড়াশীল জলের কাফনে
ঢেকে থাকা
মাগরেব প্রবাসের ব্লিজার্ডপ্রকোপ
ঝাউবনে প্রতীক্ষাম্লান তিমিরসঙ্কোচ
মধ্য-মাধ্যমে আমাদের উপস্থিতিটুকু
এই গান এই
টুসু ভাদর আশিনে
দান্তের
ভার্জিল প্রীতি জ্বলনের
কেন্দ্রপ্রতিমায়
বিপরীত পথে
মুক্তির সুড়ঙ্গপথ
স্মার্ত হতে
পারি নাই প্রভু খুব সঠিক গঠনে
সুরুয়াপাত্র
হাতে ইন্দ্রিয়বোধকে শুশ্রূষা
দিতে
পারিনাই বরঞ্চ রাজগীরে দেখেছি
আমের
গাছ আম ফল দেয় তার কপিশ
অম্লস্বাদ উষ্ণ
প্রস্রবণে রমণীর সায়ার দড়িতে
ভাবগম্ভীর
হতে ভুলে যায়
খাগের কলম
আমি শিশুহাতে কুড়িয়েছি
স্তব ও শিউলি
। প্রতারণা-- তাও কুড়িয়েছি
--
কুড়ান কুড়ানি
এই সব কাহিনী আমার ক্ষমা কোরো
পথে যদি আমার
পিছনে হাঁটে তোমার গল্প
ছায়ার
বদলে তাকে ক্ষমা কর বস্তুনিচয়
বনশিয়ালের নখ
ও নখর যদি অসতর্কে
বাজে প্রিয় শশকের
গায়ে ক্ষমা কোরো
ক্লান্তি
আমার আর এই অনন্তসারহীন সহলিপি
তার অযৌন সুর
আর মেঘলা বারান্দা
মনে রেখ
ক্ষমাই কেবল লাক্ষাস্রোত বয়ে আনে
কাঁটাকুলগাছে লং-প্লে গ্রামোফোনে স্থানু সূঁচ
তাকেও নেহাত
করে ক্ষমা কোরো ।
--
যতই বর্জন কর
শব্দক্রীড়ার ঝোঁক সমস্ত
ফেরার পথ
ফেরারিই থাকে
যেন বা ঝড়ের
পর ভ্রান্ত কুকুর
এই এক উপমা
শ্রদ্ধেয়
বাকী সব
ক্রমশ বিফল অবুঝ
দার্শনিক সৌরজগতের সমস্ত শাবক
যে
যোণিপথে জন্ম রয়েছে
সেখানেই
গালামোহরের খোঁজে
আত্মিক হয়
আমাদের এই
অণ্বেষ ক্ষমা কোরো
আমাদের এই
উন্মেষ ক্ষমা কোরো
--
অথবা যুদ্ধে
যাও শীতব্রতের শেষে
নুপুর
বাজিয়ে প্রতিক্রিয়ার ঝোঁকে
ধুন্দুমার
শহর পেরিয়ে তামার খনির দিকে
নেমে এস তার বিষাক্তসবুজ বাঁটে মুখ দিয়ে
যৈবনবেলার
পরার্থপর ছাতিমতলার কথা ভাব
আমাদের পীড়ন
সুপ্ত ছিল মুড়ির বাটিতে
কাঁসার
গেলাসে গুড় চায়ে
ওহো নিপীড়ন
ছাড়া লাবণ্য কীসের
সময়ের
সুবাদে এই
ঠায় বসা
আলো না
জ্বললে অন্ধের
কী বা দিন কীই বা রাত্রি
বরং সংবাদ
দাও মালঞ্চ, মজুরি
মলিন ম্যাপের
আর ভুল কম্পাসের
যুগপৎ কূট ও
নিরুদ্দেশ এই ছিল
আমার উন্মেষ
--
উন্মেষ একই
স্থানে অথচ ভিন্ন কালে
আমি তার
উপদ্রব লক্ষ করি কাচের
প্রার্থনাগারে বকুলের বালাপোষে
যে কাচে বেদনা
নিহিত ছিল আঙ্গুলের
ডগে বেঁধা
তো কাকতালীয় শুধু
টুকরো তুলতে
তুলতে হে কেশব চন্দ্র
বড়দিন গেল রাত গেল কুচবিহারের
বাজারে ঝুমকা
গিরলো বরেলির
বদলে খাঁচার মুনিয়াই সব রস পিয়ে নিল
পিয়াসংকাশে চন্দ্রোদয় তাও হল ৭।৪৫-এ
তাঁত বোনা
অসমাপ্ত রেখে ব্যাধের চর্যায়
নিমগ্ন দেখি হুইলচেয়ারে বসা এক অনির্বান
পৃথিবী
উত্তরায়নে ফিরে যায় ।
--
অবশ্যই আমি
তারে ভজনা করিব
লুম্পেন
গানে ইলোপ করিব সখি
ভদ্র আসনে
ধুঁধুলের ঝোপে টেনে নিয়ে যাব
ক্ষয় ছাড়া
তার কোন হাসি নেই
বৈপরিত্যের মাঝেও সেই এক--
তাকে চেনা
যায়
সেই এক
প্রকৃত
নিরাবেগ কাঁটাতারে
কাঁপে আর
ভুগোল পেরিয়ে রাংচিতা বনে
খোঁজে
জন্মনিবারক
ক্ষয় ছাড়া
তার কোন জল নেই
জমানো ডাবের
জল বসন্তদাগে
স্নান করে
শুদ্ধ কাপড়ে পরিশুদ্ধি
টেনে
নাও আঁজলাভরমে
আজ বড়
প্রার্থনার দিন
--
আজ বড়
প্রার্থনার দিন তবু লোকে বলে
ভালা না
কবিতা কেন
দূর্বোধ্য এত
বৈজ্ঞানিক
তার গবেষণা আজ সরল করার
কথা প্রোপোজ
করছে তারো অনু্যোগ
সাহিত্য সরল
অনেক বিজ্ঞানের চেয়ে তবু তার
প্রকাশ দূর্বোধ্য কেন
কাম অন
ব্রাদার – পৃথিবীর ৯৯।৯ শতাংশ বৈজ্ঞানিক
গবেষণা
পাবলিক ফান্ডেড – দ্য সায়েন্টিস্ট
ওস ইট টু দ্য
পাবলিক
আই অ্যাম এ
অজ্ঞাতকুলশীল ফাকিং ন্যাড়া
হু গোস টু
দ্য বেলতলা টাইম এন্ড আগেইন
গ্যাঁটের
পয়সা দিয়ে বই ছাপি – যে বই গড়ে
সম্বচ্ছরে
দেড় খানা বিক্রয় হয় – ফলে ব্রাদার
দি ওনাস ইস
অন দ্য সায়েন্টিস্ট, নট অন মি । নো ফাকিং ওয়ে ।
জোকস অ্যাপার্ট
–
শেষতক
বিজ্ঞান পরিমাপযোগ্যতা খোঁজে
যে কোন
সত্যকে মাপতে চাওয়াই
অবজেক্টিভিটি-র
প্রথম পদক্ষেপ
(এ ছাড়া
বাকীটুকু প্রযুক্তি)
এক সত্য থেকে
অন্য সত্যে উপনীত
হওয়ার তাগিদে
এক দিশাশীল খোঁজ
খোঁজ শেষ হয়
পরিমাপযোগ্যতায় এসে
(যতক্ষণ না
তার থেকে নতুন এক দিশাশীল খোঁজ
জেগে ওঠে)
পক্ষান্তরে
আর্ট মাত্রেই সাবজেক্টিভ ।
বিজ্ঞানের
বিপরীতে এ পৃথিবী
ইন্সপিরেশানের
পূর্বসূরীর
(যে কোন মাধ্যম সিনেমা
দৃশ্য, গা্ন
অপর কবিতা এমন কী চাঁদফুলপাখিফলরাতি)
কিছু ধার করে দিশাহীন
ছত্রাখান
হওয়া – মুড, ইমোশান শিক্ষা
দীক্ষা
বিশ্বাস ইত্যাদি হাজার লক্ষ ফিলটারে
তার লক্ষ
মাত্রা –
যা
ভেক্টরিয়ান নয় তা সরল কী ভাবে হবে
বুঝতে পারি
না স্যার – আমি তো গান্ডু
কী বলেন
ব্রাদার—তবে বলি কী
কবিতা যাই
হোক, নিজের মতন হোক
না হলে তো
মাত্রা হারিয়ে তার ঐতিহাসিক
দশায়
খোকাবাবুময় প্রত্যাবর্তন
টিভির পর্দায়
বরখা দত্ত
বলছেন—
“আবার এসেছি ফিরে
কারগিল তীরে
দিনান্তের
সমাচার হাতে...”
ক্ষমা
জাঁহাপনা ক্ষমা
আসলে আমি তো
মাল তেমন সরল নই
পেটে পেটে
ফন্দিনিচয়
নিদারুণ জটিল
হাউসিং কমপ্লেক্সে থাকি
আর
সপ্তাহান্তে না-না কমপ্লেক্সে ভুগি
ওহো লোকে বলে ঘর
বাড়ি ভালা না আমার !
লুকিং ব্যাক—দর্শন মাঝ
থেকে ছাড় পেয়ে গেল
সেও এক আজীব
চিড়িয়া – ঢালতরোয়ালহীন
সর্বজনগ্রাহ্য
হতে চায় – গায়েঁ কে মানিল, মানিনী তোমারে
তবু তুমি
অবজেক্টিভ অবজেক্টিভ গন্ধ বিলাও
বিশ্বাস না
হয় হ্রেনে দেকার্ত-কে জিজ্ঞাসা করুন
অর্ধেক অনূদিত
অ্যারিস্টটল জেনে
মন ও বস্তু’র মাঝখানে
দেয়াল গড়লেন
মরে যাওয়ার
আগে জেনেও যেতে পারলেন না
অ্যারিস্টটল-এর
আরও কটি ভল্যুম
টোটকা রয়েছে –
ঠিকানা না
পেলে কথা বলুন দান্তে অ্যালিঘিয়েরির
তিনি না
জানলে ভার্জিল জানেন, নাহলে বিয়াত্রিচে
নইলে আমি তো
আছি—নরকের
পুঞ্জাক্ষীশীল
ছিটেল পতঙ্গ
লোকে কেন,
আমি বলি ঘর বাড়ি ভালা না আমার
--