History repeats itself
I am history
I have every right to repeat myself
--
স্মৃতিও কমলা হল
সমস্ত দোটানা যেভাবে কমলা হয়ে যায়
ভালো লাগে কর্মসূত্রে
নিজের থেকে দূরে থাকা
পিঁপড়ের ঢিবির পাশে উবু হয়ে
নিজেকেও মনে রাখা,
ছুটকো প্রশ্রয়, সিগারেট দু’একটা
কিছুটা তো সঙ্গত হওয়া যায়
কিছুটাকে সঙ্গত করে তোলা
হৃদ্যতার কাছে বসে থাকো
ভালো লাগে তোমার অস্পষ্টতা
তুলনাপ্রবণ ঘাসে রোদ পড়ে
একই রোদ গ্রীলেও আছড়ায়
স্মৃতির সাথে পাল্লা দিয়ে সক্ষমতা বাড়ে
আর সব কিছু কমলা হয়ে যায় ।
-------------------
হাত
---
তোমার স্তিমিত হাতে
ধ্বনি ও স্বরূপ দুই ক্রীড়াশীল
অল্প অল্প ভাপ ওড়ে
আলগা হয়ে যায় বিকেল
আঘাতের কথা মনে পড়ে
সারল্যের কথা
পূর্ণতা কী ভাবে অব্যবহৃত হয়ে থেকে যায়
তার কথা, স্তিমিত হাতের কথা
অল্প অল্প ভাপ ওড়ে
--
সময় নয় ঘড়িটিই একটা ধারণা
আর ধারণা মাত্রেই যে অপারগ
ধার নেই, ভার নেই
ধারণ করতে পারে না বহন করতে পারে না
এটা বুঝতে এতদিন ঘড়ি পরে বেড়ালাম
মিথ্যে মিথ্যি কব্জিতে রোদ পড়ল না বহুকাল
--
হাতের কাছেই আছে সব কিছু
স্পর্শটুকু ছাড়া
এমনকী ভুল করে ভুলে যাওয়া
ঠিক করে নেওয়ার মত অঙ্ক
আর কত লোক হাত নেড়ে চলে গেল
চিনে না চিনে
সবাইকে বলি-- ভালো থাক তোমাদের হাত
হাতে লেখা মতামতগুলো
ভালো থাক হাতে হাতে অতঃপররাজি
--
টেবিলে তরঙ্গ ছিল
খানিকটা পড়ে আছে আঁচ
অবারিত আর্বান হাতে কাঁপা-কাঁপা গ্রামীণ কবিতা
আমিও লিখেছি
টেবিলে তরঙ্গ ছিল
তাহাতে পড়িয়াছিল কৃষ্ণচূড়ার ছায়া
শহুরে ও ফিকে কৃষ্ণকায়
হাতের ছায়ার পাশে অর্থহীন অথচ
মানানসই
--
শুশ্রূষা কাহার হাতে – এমত প্রশ্নের উঠানে ঝাড়ু পড়ে – পাতাগুলি ওড়ে শুদ্ধশীল । প্রতিশ্রুতিময় সেই সব পাতা, চোখের, হাতের, কবিতার খাতার, অজস্র যাতনার পাতা । আঘাতের মতই সরল ও বিবেচনাহীন ।
--
দূরের কাঠামোগুলি আলোকিত ছিল, ফলে দূর, দূরতর ছিল । ভারসাম্য ছিল—দৃশ্য যেমনই হোক, দৃষ্টিতে যে ভারসাম্য থাকে... এইসব আমাদের ঋণী থাকার গল্প, অনুভূত হয়ে ওঠার প্ররোচনা ও পদ্ধতিময় ...রাত বাড়ছিল, আলো বাড়ছিল, ছায়া বাড়ছিল—দূরগুলি দূরতর ছিল । অল্প অল্প ভাপ উড়ছিল ম্যুরাল কারখানায় ।
পরিবিষয়ী নয়, অবিষয়ী কিছু বলা যেতে পারে । পোষ্ট করা ঠিক হল কি-না বুঝতে পারছি না-- তবু...
Circumcontentive Poetry is granular. It is an assembly of many kinds of grains, iota, shreds, and smidgeons. Collage techniques are its automatic choice, an assembly language is its perfect embodiment.
Thursday, January 5, 2012
Wednesday, January 4, 2012
Tuesday, January 3, 2012
সম্নিলকি-১৪
দূর আর ঘনর প্লট কি একটা মৌলিক সরলরেখা? অশ্বক্ষুর? উপবৃত্ত ?
কল্প নাহয়
বাস্তবিক
তোমার গায়ে আমার শার্ট
তুমি আমার শার্ট গায়ে কেমন কুৎসিত
পনির গলছে কি না?
তুমি শোনাও রেণুর কথা – অনেক টানের পোকা, কি বাঁক
কি একটা ব্যাবহারযোগ্য মিথ
ঢাল হলো ভাবনা
একটা তামার ড্রাম
বাদকদলের স্ক্রু ভেঙে গড়িয়ে নামছে ঢাল বরাবর
তাওয়ায় পনির , ঘনত্ব , সুরের ঘন
মূল করে ভাষা
যেন কিছু দুরবীন কাছে আসতে চায়। ছোট কাচির ব্যাগ লুকিয়ে, উত্তোলিত কয়লা লুকিয়ে
আঙুল চাটছি, নখ চাটছি
রান্নাঘরে
কেউ গয়না খুলছে না কি, যেমন করে কথা বলো তুমি
যেমন করে উল্টাস্রোতঃ তোমার বেসিনে আমার মুন্ডু
দুলতে থাকে ফুটা, প্রতিটা পানির লোম আলাদা আলাদা করে দেখো
প্রতিধ্বনি মাপো, বস্তুনিষ্ঠতার জায়গা একটাই
যাদুঘরে সাজানো হাড্ডিগুলি নেড়ে চেড়ে ভালবাসো আরো আরো তামা
পবিত্রতা জরুরী লাগে, কন্ডম সেভাবে লাগে না
যেভাবে কন্ডম লাগে
আমি তাও পাতার মত ঝরে পড়তে পারি
হাবড়া চোখে তাকাতে পারি রান্নাঘরের তাক থেকে তাকে
যখন তুমি লতা গুল্ম ক্ষুর
"অনেক টানের পোকা থাকে – যে যত জটিল ভাবে আত্মমুখী
সে তত উন্মিলিত, তত বাকু, এক দিকে ঘোড়ার মাথা, অন্য দিকে প্রথম কারণ"
আসো তবে সূত্রমত নদীর কথা বলি
অথবা সকেটঃ যার উপর রেটিনা ঘুরছে, বিন্দু বিন্দু রক্তে মিশছে তোমার বিশ্বাস –
বুঁদমাত্র আনন্দ, আনন্দ মাত্র দুঃখ, দুঃখ মাত্র সম্ভাবনা – এই যে ঘন মিইয়ে এলো পূবদিকে
প্রশ্ন করছো। ভাড়া বাসাও বদলাতে মায়া হয়
এরচে করিডোর ভাল
বন্ধ সেলুন
অন্ধকারে চেয়ারগুলি আয়না বরাবর
গুচ্ছ গুচ্ছ ঝুলন্ত পরচুলা
বুড়ো তার দস্তানা পকেটে ফেলে পাঁচটি বলিরেখা বার করে আনে
আর মেয়েগুলি নুফি নুফি বলে হুড়মুড় করে ঢুকে পড়ে বারের ভিতর
আসো তবে নিন্দামন্দ করি
অথবা ঘনত্বঃ যেখানে দূর মেশালে পাওয়া যায় তামা
পোকার কথা বলি
ফুলের পাপড়ি দেখে ছুটে যাই কতনা স্তর নিয়ে একটা কন্ডমের মাঝে
তোমার গায়ে আমার শার্ট কুৎসিত
Monday, January 2, 2012
ব্লেডলিখিত সত্তাচিহ্ন
৩৪
বড় বেশি করে ভেবেছো আর্দ্র নভেম্বরের কথা
পেঁচিয়ে গেছে জানুয়ারির কাচের গাছে
ভিজে মাটিতে কি শীত লতিয়ে চলে?
ঋজু পাতায় জলজ ব্যাকরণময়
একটা শব্দ – বাসস্থান – বারবার ঝাঁপিয়ে পড়ে
ছত্রখান করে দিয়েছে চলন
তুমি ফিরতে পারোনা বলে নিজের
অতি সাধারণ চামড়ার দিকে দেখো
সামনের নির্মীয়মান বাড়ির দিকে
মিস্তিরির বউ কি লজ্জা পায়,
সকালের স্নানের সময়ে হঠাৎ বমি পেলো
গমখেতে হলে এমন হত?
এই সিমেন্ট ও ইঁটের পাশে একটুকরো চালাঘর
শাশুড়িও তরুণী কিন্তু ঘোমটা দেয়না
শশুরের তক্তাপোশ থেকে গোঙানির শব্দ আসে
এখনো সপ্তাহে তিনদিন
মেঝের জলদি সোহাগ সে তো গ্রাম বা মেলা নয়
সন্তানের অভ্যাস
বাচ্চা ছেলেমেয়ে দিয়ে ভরে গেছে
সপ্তাহান্ত প্র্যাম কুকুর ও প্রাচুর্য
শুধু কখনই স্নিগ্ধতা না জানা খেলা ঘিরে রাখছে তাদের
তুমি কি এসব থেকে ছিটকে যাও?
শুধু খেলা থেকে ছিটকে আসে রুক্ষ চলন
রাস্তার বাঁকে একটা ভেজা জারুল
পেতেও বুঝি কেউকেটা হতে হয় দূরের শহরে
৩৫
হাওয়া নীচু হয় আর তুমি দেখো কীভাবে ছাই হাত
রুটি তুলে নেয় এই অস্থায়ী চুল্লিশিবির থেকে
কারা বেরিয়ে আসে? দূর থেকে বাতিল মাঠের গায়ে চেয়ে
কতদিন ভেবেছো এখানে কিছু সত্যি নয়
দূরের শহরে বুঝি সন্ধে হল বাজার ও ঘামের পাশে সত্যি মানুষের
চলাচল, কেন চলে আসে বলো এত লোক বাতিল পেরেকের অতিরিক্ততায়
রিক্ত লেগে আছে চিরকাল রাতের দেহে যেমন অনিবার্য
ভারি পুকুরের সত্তা... অথচ আসা থাকে
বারবার অপরিচিত জানুয়ারি কুয়াশায় ভিজে গেলে দূরে কোথাও
চেনা গান মুদির দোকান ফেরত মায়ের হাতে লতিয়ে ওঠে
বাবার ফাঁকা ঘরের সামনে কি দাঁড়ায় একটু আজকাল?
সামনে ব্লেডের পাতাওলা গাছ সমেত
জ্যোৎস্নার ধাতব ছায়ায় বাড়িটা কি ঝাঁকড়া হয়ে উঠেছে?
আর কেউ রাত করে বাড়ি ফিরবেনা বলে সন্ধেবেলা তালা পড়ে
শুধুই টিভির শব্দে শিহরিত হয়ে থাকে কথোপকথন
৩৪
বড় বেশি করে ভেবেছো আর্দ্র নভেম্বরের কথা
পেঁচিয়ে গেছে জানুয়ারির কাচের গাছে
ভিজে মাটিতে কি শীত লতিয়ে চলে?
ঋজু পাতায় জলজ ব্যাকরণময়
একটা শব্দ – বাসস্থান – বারবার ঝাঁপিয়ে পড়ে
ছত্রখান করে দিয়েছে চলন
তুমি ফিরতে পারোনা বলে নিজের
অতি সাধারণ চামড়ার দিকে দেখো
সামনের নির্মীয়মান বাড়ির দিকে
মিস্তিরির বউ কি লজ্জা পায়,
সকালের স্নানের সময়ে হঠাৎ বমি পেলো
গমখেতে হলে এমন হত?
এই সিমেন্ট ও ইঁটের পাশে একটুকরো চালাঘর
শাশুড়িও তরুণী কিন্তু ঘোমটা দেয়না
শশুরের তক্তাপোশ থেকে গোঙানির শব্দ আসে
এখনো সপ্তাহে তিনদিন
মেঝের জলদি সোহাগ সে তো গ্রাম বা মেলা নয়
সন্তানের অভ্যাস
বাচ্চা ছেলেমেয়ে দিয়ে ভরে গেছে
সপ্তাহান্ত প্র্যাম কুকুর ও প্রাচুর্য
শুধু কখনই স্নিগ্ধতা না জানা খেলা ঘিরে রাখছে তাদের
তুমি কি এসব থেকে ছিটকে যাও?
শুধু খেলা থেকে ছিটকে আসে রুক্ষ চলন
রাস্তার বাঁকে একটা ভেজা জারুল
পেতেও বুঝি কেউকেটা হতে হয় দূরের শহরে
৩৫
হাওয়া নীচু হয় আর তুমি দেখো কীভাবে ছাই হাত
রুটি তুলে নেয় এই অস্থায়ী চুল্লিশিবির থেকে
কারা বেরিয়ে আসে? দূর থেকে বাতিল মাঠের গায়ে চেয়ে
কতদিন ভেবেছো এখানে কিছু সত্যি নয়
দূরের শহরে বুঝি সন্ধে হল বাজার ও ঘামের পাশে সত্যি মানুষের
চলাচল, কেন চলে আসে বলো এত লোক বাতিল পেরেকের অতিরিক্ততায়
রিক্ত লেগে আছে চিরকাল রাতের দেহে যেমন অনিবার্য
ভারি পুকুরের সত্তা... অথচ আসা থাকে
বারবার অপরিচিত জানুয়ারি কুয়াশায় ভিজে গেলে দূরে কোথাও
চেনা গান মুদির দোকান ফেরত মায়ের হাতে লতিয়ে ওঠে
বাবার ফাঁকা ঘরের সামনে কি দাঁড়ায় একটু আজকাল?
সামনে ব্লেডের পাতাওলা গাছ সমেত
জ্যোৎস্নার ধাতব ছায়ায় বাড়িটা কি ঝাঁকড়া হয়ে উঠেছে?
আর কেউ রাত করে বাড়ি ফিরবেনা বলে সন্ধেবেলা তালা পড়ে
শুধুই টিভির শব্দে শিহরিত হয়ে থাকে কথোপকথন
একটা লেখা
ঘষা কাচ—প্রথা
প্রথার ওপারে ফাঁকা ও প্রশস্ত নতজানু
লাট খায় রূপের রিবন
চরিত্র এখানে থাকে না
সাবলীল বাসাগুলো বাড়ি হয়ে গেছে
কবেই
আটপৌরে বিস্ময় ঝুলে
থাকে ব্যালকনি কাঁপানো তারে
ঠাপ ওঠে ঠাপ পড়ে
জলে ও ভঙ্গুরে
যত দূরে যাও বৃত্তাকার অল্পখানিক ঢেউ
শেষতক কেন্দ্রেই ফেরে (পিরিয়ড) শেষ হয়ে যায়
সাঁঝের বিষয় ফিরিল কুলায়
লেখা ফিরিল না ঘরে
গান হয় এইসব গান হয় কিছুটা সুরেলা
শ্বাস । আঘাত । ফাঁকা ও প্রশস্ত
জলে । ভঙ্গুরে
বাকীটা সংকেত
সংকেত যে একটা ডিকশান – এ তোমাকে বিদ্যালয় শেখাবে না । হাম্পু করে দেবে । সোজা সোজা বল । ফিকশানি গান গাও – রাজার কুমার পঙ্খীরাজে । আকাশ থেকে পঙ্খীরাজ লেদে দিলে কি হবে জানতে যেও না – যতদূরসম্ভব ত্রস্ত বাংলায় ফাঁকা ও প্রশস্ত মনোনিবেশের কথা বল । ডুবন্ত মানুষ’কে বল—জলই জীবন । জলে চাঁদ পড়ে – চাঁদের শৌচকর্মাদি, চাঁদের সাবান কই ? না-কি দেহ ভাসে,
কার দেহ ?
তার দেহ –আটারলি মরণোত্তর ।
(সোজাসুজি বলতে গেলে-- যে শালা ডুবে মরে, সেই শালা মরে ভাসে)
--
আলো ক্রমে আসিতেছে ..................
নিভে
নিভাননী জাম বাটি হাতে খই দুধ খায়
বেপাড়ার মেঘ এসে র্যা লা মেরে যায়
কালিদাসে নেই সেই সব থান্ডার মেঘ
কেঁদো কেঁদো মেঘ
শীতের ডগায়
শিমুল নিভিয়াছিল প্রাক্কালে
এখন সে পাতায় পল্লব
শীত কালে এ মাহ ভাদর
ভরা ভরা ঘড়া ঘড়া
এভাবেই আলগা মলাটে ধরা পড়ে যাবে ! এতটাই ঈশ্বরামি ! ওহো গায়ে লাগে । গায়ে লাগে এইসব প্রজন্মরহিত সমাধান । জন্ম এসে জড়ো হয় হাতে, প্রান্ত এসে জড়ো হয় হাতে – জড় ফুলে নিকেশের আলো – বোঝা যাবে কি ভাবে নষ্ট হয়েছি ? কিভাবে প্রভুরা নষ্ট হয়ে যায় ? নষ্ট মানুষ আর নষ্টামি -- কোন পাহাড়ে, সৈকতে তারা হামা টানে ? এরপর অপলক হয়ে ওঠো তুমি, প্রগলভ হয়ে ওঠে কথা । ঘুম পায় বেধড়ক । ঘুমাতে পারি না ।
ক্লান্তি আমার ক্ষমা কর প্রভু
লিখতে পারি না, গায়ে জল থেমে গেছে আটকে রয়েছে পোস্টারের মত তার হুলিয়া দৌড়চ্ছে ডেকে আনছে ক্রমান্ধ গান রাত্রি বরাবর কত লেখা থাকে কত সুর থাকে বোবা বালকের ম্যান্ডোলিন গাধার ক্ষুরের চাট সামলে উঠতে চাইছি অথচ পারছিনা হে নান্দনিক হে গলিত স্থিরতা বোধ জন্ম বহুবার উদ্ধৃত নুন ও শরীর বাতায়নসারি্র সামনে একা তাল গাছ ।
ওহো ক্লান্তি আমার ।
ওহো ক্ষমা তোমার ।
এসো, তোমাকে মতান্তর করে সঞ্চয় করি ।
প্রথার ওপারে ফাঁকা ও প্রশস্ত নতজানু
লাট খায় রূপের রিবন
চরিত্র এখানে থাকে না
সাবলীল বাসাগুলো বাড়ি হয়ে গেছে
কবেই
আটপৌরে বিস্ময় ঝুলে
থাকে ব্যালকনি কাঁপানো তারে
ঠাপ ওঠে ঠাপ পড়ে
জলে ও ভঙ্গুরে
যত দূরে যাও বৃত্তাকার অল্পখানিক ঢেউ
শেষতক কেন্দ্রেই ফেরে (পিরিয়ড) শেষ হয়ে যায়
সাঁঝের বিষয় ফিরিল কুলায়
লেখা ফিরিল না ঘরে
গান হয় এইসব গান হয় কিছুটা সুরেলা
শ্বাস । আঘাত । ফাঁকা ও প্রশস্ত
জলে । ভঙ্গুরে
বাকীটা সংকেত
সংকেত যে একটা ডিকশান – এ তোমাকে বিদ্যালয় শেখাবে না । হাম্পু করে দেবে । সোজা সোজা বল । ফিকশানি গান গাও – রাজার কুমার পঙ্খীরাজে । আকাশ থেকে পঙ্খীরাজ লেদে দিলে কি হবে জানতে যেও না – যতদূরসম্ভব ত্রস্ত বাংলায় ফাঁকা ও প্রশস্ত মনোনিবেশের কথা বল । ডুবন্ত মানুষ’কে বল—জলই জীবন । জলে চাঁদ পড়ে – চাঁদের শৌচকর্মাদি, চাঁদের সাবান কই ? না-কি দেহ ভাসে,
কার দেহ ?
তার দেহ –আটারলি মরণোত্তর ।
(সোজাসুজি বলতে গেলে-- যে শালা ডুবে মরে, সেই শালা মরে ভাসে)
--
আলো ক্রমে আসিতেছে ..................
নিভে
নিভাননী জাম বাটি হাতে খই দুধ খায়
বেপাড়ার মেঘ এসে র্যা লা মেরে যায়
কালিদাসে নেই সেই সব থান্ডার মেঘ
কেঁদো কেঁদো মেঘ
শীতের ডগায়
শিমুল নিভিয়াছিল প্রাক্কালে
এখন সে পাতায় পল্লব
শীত কালে এ মাহ ভাদর
ভরা ভরা ঘড়া ঘড়া
এভাবেই আলগা মলাটে ধরা পড়ে যাবে ! এতটাই ঈশ্বরামি ! ওহো গায়ে লাগে । গায়ে লাগে এইসব প্রজন্মরহিত সমাধান । জন্ম এসে জড়ো হয় হাতে, প্রান্ত এসে জড়ো হয় হাতে – জড় ফুলে নিকেশের আলো – বোঝা যাবে কি ভাবে নষ্ট হয়েছি ? কিভাবে প্রভুরা নষ্ট হয়ে যায় ? নষ্ট মানুষ আর নষ্টামি -- কোন পাহাড়ে, সৈকতে তারা হামা টানে ? এরপর অপলক হয়ে ওঠো তুমি, প্রগলভ হয়ে ওঠে কথা । ঘুম পায় বেধড়ক । ঘুমাতে পারি না ।
ক্লান্তি আমার ক্ষমা কর প্রভু
লিখতে পারি না, গায়ে জল থেমে গেছে আটকে রয়েছে পোস্টারের মত তার হুলিয়া দৌড়চ্ছে ডেকে আনছে ক্রমান্ধ গান রাত্রি বরাবর কত লেখা থাকে কত সুর থাকে বোবা বালকের ম্যান্ডোলিন গাধার ক্ষুরের চাট সামলে উঠতে চাইছি অথচ পারছিনা হে নান্দনিক হে গলিত স্থিরতা বোধ জন্ম বহুবার উদ্ধৃত নুন ও শরীর বাতায়নসারি্র সামনে একা তাল গাছ ।
ওহো ক্লান্তি আমার ।
ওহো ক্ষমা তোমার ।
এসো, তোমাকে মতান্তর করে সঞ্চয় করি ।
Thursday, December 29, 2011
বুদবুদের আমি
বুদবুদের আমি
একবার ভেসে উঠে মিলিয়ে যায়
হাসির মত ভোর বেলা, পোঁচ মত, বৃন্ত মত
বুদবুদের গায়ে যেরকম
বুঝে নিলে অসমাপ্ত গল্পের মোহ
বিড়ালটা লেজ নাড়ছিল
লেজ নাড়ছিল
লক্ষ বছর হলো একটা একটা স্তর
একেকটা ঘুমের দরোজা, মাথার কাছে, পায়ের কাছে শিরায় শেকড়ে
তন্ময়, আগুনের স্মৃতিবাহী লাল বৃন্ত পোঁচ
ঝুর ঝুর ধূলার তিরপলে
আমি তো জমা হই। আলো জ্বেলে পাউরুটি
মাইলের পর মাইল
আলোর নিচে
অন্ধকারে কেরোসিনে জলপাইয়ে উল্টে দেই টুকরা টুকরা পাউরুটি
রঙ আর বোঁটার কথা বলো। তখন থেকে ফিরে দেখো
খুলে রেখে চলে যাও একটা একটা স্তন
বুদবুদের সুরে। হঠাৎ হিংস্র রাগে দরোজা লাগাই
লিপস্টিক
একটা গলিত কালো কশেরুকা
হিঁচড়ে টেনে জ্বালিয়ে দেই পিষ্টনের প্রাণের ভিতর
কতদিন জমা করা ঘুম
হঠাৎ ভেসে ওঠা বিশ্লিষ্ট দেখা, বুদবুদের হাসির মতো
হারিয়ে যাওয়ার মতো, বলো হাইহিল, কখন গিয়েছিলে হ্রদের কিনারে
নষ্ট টিভি পর্দায়
নিজের ছায়া দেখে অল্প অল্প ভয় করে
একবার ভেসে উঠে মিলিয়ে যায়
হাসির মত ভোর বেলা, পোঁচ মত, বৃন্ত মত
বুদবুদের গায়ে যেরকম
বুঝে নিলে অসমাপ্ত গল্পের মোহ
বিড়ালটা লেজ নাড়ছিল
লেজ নাড়ছিল
লক্ষ বছর হলো একটা একটা স্তর
একেকটা ঘুমের দরোজা, মাথার কাছে, পায়ের কাছে শিরায় শেকড়ে
তন্ময়, আগুনের স্মৃতিবাহী লাল বৃন্ত পোঁচ
ঝুর ঝুর ধূলার তিরপলে
আমি তো জমা হই। আলো জ্বেলে পাউরুটি
মাইলের পর মাইল
আলোর নিচে
অন্ধকারে কেরোসিনে জলপাইয়ে উল্টে দেই টুকরা টুকরা পাউরুটি
রঙ আর বোঁটার কথা বলো। তখন থেকে ফিরে দেখো
খুলে রেখে চলে যাও একটা একটা স্তন
বুদবুদের সুরে। হঠাৎ হিংস্র রাগে দরোজা লাগাই
লিপস্টিক
একটা গলিত কালো কশেরুকা
হিঁচড়ে টেনে জ্বালিয়ে দেই পিষ্টনের প্রাণের ভিতর
কতদিন জমা করা ঘুম
হঠাৎ ভেসে ওঠা বিশ্লিষ্ট দেখা, বুদবুদের হাসির মতো
হারিয়ে যাওয়ার মতো, বলো হাইহিল, কখন গিয়েছিলে হ্রদের কিনারে
নষ্ট টিভি পর্দায়
নিজের ছায়া দেখে অল্প অল্প ভয় করে
Wednesday, December 21, 2011
দুইটা লেখা
সম্নিলকি ১৩
----------------
কত দূর থেকে আসে একেকটা বরফের দাগ
মনে হয় মিলে মিশে আছি
ভোতা আর দীর্ঘ প্রস্তুতি
অনেক নিচে মাটির ভিতর, পলক ফেলছি না, সোজা সাপ্টা বলে দিচ্ছি না
একা একা শুয়ে থাকি মেঝের উপর
একটা তন্তু নেমে আসে। জানালা ফেঁপে গেছে পানি জমে জমে
কারো কথা মনে আসে না। ভয়ঙ্কর খেলায় কাঁপতে থাকি আমি
একস্তুপ কাপড় – সব সময় ক্যালেন্ডারে দাগানো যায় না
দশক দিয়ে মাপা যায় না, যুক্তি দেখে হো হো করে হাসে
ঠোঁটের কোণা বেয়ে গড়িয়ে নামে কথার জগতে
একটা লম্বা মোম ছুরি দিয়ে চার ভাগ করি
সূতা জাপটে ঠান্ডা হওয়া উৎসমুকূল
আগুন কত আপেক্ষিক ... ... বা চলে যাই সোজা সাপটার কাছে
আমার যে সাপ আছে, ওকে জাপটে বড় হচ্ছে কাচের বাক্স দিন রাত
বড় হচ্ছে – কত দ্রুত ছায়া সরে গেলো
চকিতে মনে হলো জানালার ফ্রেম
|
|
|
------------------
তিনতলার বারান্দায়
------------------
তিনতলার বারান্দা কিছু খালি বোতল পরে আছে
কাগজের গ্লাস, ছেড়া ফিল্টার
ঠিক তার নিচের বারান্দা দরোজা খুলে মেয়েটি বেরোলো
গোলাপের মতো লাল, শূন্য টব – ঠিক তার নিচতলায় একটা হেলানো শাবল
বোতলগুলির উপর
মেয়েটার পিঠে, শাবলে
ধাক্কা খেয়ে গড়িয়ে যাচ্ছে চিকন মেয়েলি স্বরের মতো
মেয়েলি স্বরে ডাকছে কে যেন
রেলিং ধরে
ফ্ল্যাটের চাবি ফেলে দিচ্ছে নিচে
----------------
কত দূর থেকে আসে একেকটা বরফের দাগ
মনে হয় মিলে মিশে আছি
ভোতা আর দীর্ঘ প্রস্তুতি
অনেক নিচে মাটির ভিতর, পলক ফেলছি না, সোজা সাপ্টা বলে দিচ্ছি না
একা একা শুয়ে থাকি মেঝের উপর
একটা তন্তু নেমে আসে। জানালা ফেঁপে গেছে পানি জমে জমে
কারো কথা মনে আসে না। ভয়ঙ্কর খেলায় কাঁপতে থাকি আমি
একস্তুপ কাপড় – সব সময় ক্যালেন্ডারে দাগানো যায় না
দশক দিয়ে মাপা যায় না, যুক্তি দেখে হো হো করে হাসে
ঠোঁটের কোণা বেয়ে গড়িয়ে নামে কথার জগতে
একটা লম্বা মোম ছুরি দিয়ে চার ভাগ করি
সূতা জাপটে ঠান্ডা হওয়া উৎসমুকূল
আগুন কত আপেক্ষিক ... ... বা চলে যাই সোজা সাপটার কাছে
আমার যে সাপ আছে, ওকে জাপটে বড় হচ্ছে কাচের বাক্স দিন রাত
বড় হচ্ছে – কত দ্রুত ছায়া সরে গেলো
চকিতে মনে হলো জানালার ফ্রেম
|
|
|
------------------
তিনতলার বারান্দায়
------------------
তিনতলার বারান্দা কিছু খালি বোতল পরে আছে
কাগজের গ্লাস, ছেড়া ফিল্টার
ঠিক তার নিচের বারান্দা দরোজা খুলে মেয়েটি বেরোলো
গোলাপের মতো লাল, শূন্য টব – ঠিক তার নিচতলায় একটা হেলানো শাবল
বোতলগুলির উপর
মেয়েটার পিঠে, শাবলে
ধাক্কা খেয়ে গড়িয়ে যাচ্ছে চিকন মেয়েলি স্বরের মতো
মেয়েলি স্বরে ডাকছে কে যেন
রেলিং ধরে
ফ্ল্যাটের চাবি ফেলে দিচ্ছে নিচে
Sunday, December 18, 2011
এখনো সর্বনাম
খসড়া
নিউট্রিনো
অপ্রয়োজনীয় শিষ্টাচারে জড়িয়ে আছে
অবতল স্মৃতি। চয়িতের সত্য চিতের
ভিজে ছাদের ওপর ছোট্ট পায়ের ছাপ
গুটি গুটি... কয়েক।
মাটির ঠিক ওপর দেবে যাওয়া পাঁচ আঙুল।
বন্ধুত্বের সংজ্ঞার মতো পারমাণবিক। ছাপওয়ালা
ছোট গর্ত, চিতের ছাদে... মুঠো দেড়েক।
আণুবীক্ষণিক। আশ্চর্য্য আশঙ্কায় ভর্তি হয়ে আছে।
বৃষ্টিজল জমা হয় ওতে বেশ, দেখা যায়...
নিউট্রিনো যদি
বিধাতার মত সে উত্তিষ্ঠত বৃদ্ধের কি নিরাময় প্রার্থনা করা যায়?
চিত্রার্তের প্রাপ্য জলজ, চিতের ছাদের আঙুল
জলে ভুল, (আরে না না, ফুল ওটা ফুল হবে)
বেশ ভাসে দেখা যায়।
ভাসছে ফুল। মা এর মত লাল ফুল।
সদ্য অ-সিজারীয় শিশুর আওয়াজের
ধূসর জলে, ফলে।
একেবারে শেষ ঘাটের পিছল জল থই থই
লাল জল।
নিউট্রিনো যদি আলোর
আশ্রয়হীন সে বট দাঁড়িয়ে।
দাঁড়, দাঁড়ি।
অসমাপ্ত বাক্যালাপ হেতু মুখ নাড়ে।আবহাওয়া খোঁজে।
অনুকূল/প্রতিকূল।
পুরাণ, বেদসমূহ, শাশ্বত, স্বল্পাধিক।
নিউট্রিনো যদি আলোর চেয়ে
নীরব সোচ্চারে
ছায়াহীন অন্ধকারে কঠিন কিছু মুখ বলছে।
and the quote begins,
"ক র তে হ বে ক র তে হ বে, হ বেই..."
হ্রস্ব ই এর এ দীর্ঘতায়
প্রদোষগ্রস্তের ঈশ্বরেচ্ছার জলছাপ উঠে আসে, আশেপাশে
মুঠোদেড়েক।
নিউট্রিনো যদি আলোর চেয়ে
বেশি গতিশীল কণা হয়। তাহলেও
স্ফটিক করোটি মিথ্যাবাচন কবে?
উগাণ্ডা বা মেরুগর্তে
...
হবে হবে, এও হবে, টবে।আহা গাছ যেরকম
বট বা গাঁদা, ল্যাডিল্যাস, নিদেন,
শী্তকালীন।
পুনশ্চঃ পাঁচিলের এপ্রান্ত থেকে দেখা
ওপ্রান্তের কেবল ঝুলে থাকা পাঁচটি আঙুল।
ওইখানে
গাছগুলি দাঁড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে। এখানে এখনো প্রবল
তীব্র উহাদের ছায়া পড়ে,
কম্পমান, প্রলম্বিত।
উহারা মাটির নিম্নে তাহার চেয়ে বেশি,
যত উপড়ে, ওপরে।।
নিউট্রিনো
অপ্রয়োজনীয় শিষ্টাচারে জড়িয়ে আছে
অবতল স্মৃতি। চয়িতের সত্য চিতের
ভিজে ছাদের ওপর ছোট্ট পায়ের ছাপ
গুটি গুটি... কয়েক।
মাটির ঠিক ওপর দেবে যাওয়া পাঁচ আঙুল।
বন্ধুত্বের সংজ্ঞার মতো পারমাণবিক। ছাপওয়ালা
ছোট গর্ত, চিতের ছাদে... মুঠো দেড়েক।
আণুবীক্ষণিক। আশ্চর্য্য আশঙ্কায় ভর্তি হয়ে আছে।
বৃষ্টিজল জমা হয় ওতে বেশ, দেখা যায়...
নিউট্রিনো যদি
বিধাতার মত সে উত্তিষ্ঠত বৃদ্ধের কি নিরাময় প্রার্থনা করা যায়?
চিত্রার্তের প্রাপ্য জলজ, চিতের ছাদের আঙুল
জলে ভুল, (আরে না না, ফুল ওটা ফুল হবে)
বেশ ভাসে দেখা যায়।
ভাসছে ফুল। মা এর মত লাল ফুল।
সদ্য অ-সিজারীয় শিশুর আওয়াজের
ধূসর জলে, ফলে।
একেবারে শেষ ঘাটের পিছল জল থই থই
লাল জল।
নিউট্রিনো যদি আলোর
আশ্রয়হীন সে বট দাঁড়িয়ে।
দাঁড়, দাঁড়ি।
অসমাপ্ত বাক্যালাপ হেতু মুখ নাড়ে।আবহাওয়া খোঁজে।
অনুকূল/প্রতিকূল।
পুরাণ, বেদসমূহ, শাশ্বত, স্বল্পাধিক।
নিউট্রিনো যদি আলোর চেয়ে
নীরব সোচ্চারে
ছায়াহীন অন্ধকারে কঠিন কিছু মুখ বলছে।
and the quote begins,
"ক র তে হ বে ক র তে হ বে, হ বেই..."
হ্রস্ব ই এর এ দীর্ঘতায়
প্রদোষগ্রস্তের ঈশ্বরেচ্ছার জলছাপ উঠে আসে, আশেপাশে
মুঠোদেড়েক।
নিউট্রিনো যদি আলোর চেয়ে
বেশি গতিশীল কণা হয়। তাহলেও
স্ফটিক করোটি মিথ্যাবাচন কবে?
উগাণ্ডা বা মেরুগর্তে
...
হবে হবে, এও হবে, টবে।আহা গাছ যেরকম
বট বা গাঁদা, ল্যাডিল্যাস, নিদেন,
শী্তকালীন।
পুনশ্চঃ পাঁচিলের এপ্রান্ত থেকে দেখা
ওপ্রান্তের কেবল ঝুলে থাকা পাঁচটি আঙুল।
ওইখানে
গাছগুলি দাঁড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে। এখানে এখনো প্রবল
তীব্র উহাদের ছায়া পড়ে,
কম্পমান, প্রলম্বিত।
উহারা মাটির নিম্নে তাহার চেয়ে বেশি,
যত উপড়ে, ওপরে।।
Sunday, December 11, 2011
মর্গ থেকে

aajanma pratibeshi alok kaku, sri alok chaudhuri amri hospital theke chole gelen. taarpar aami saaraadin pg hospital-er morgue-er saamne daaNrhiye... ei pratham...beshi kichu balaar nei... paribishhayee holo naa... bodhoy kabitaa-o holo naa... emanki dhikkaar-o dite paaren ei niye kabitaa lekhaar cheshhTaa naamak dhrishhTataay.
Sunday, November 20, 2011
কবিতা
রেখো মা দাশে’রে মনে
সান্যালেও কিছু মনে রেখো
ঠাসবুনোটের দেশে ঘোড়ারুগী
আলগাচরিত এক ফেঁসো
।।.....................।।
সর্বনাম ব্যবহারে উদ্দেশ আসে, উদ্দিষ্টের সাথে কথা । বারতা । আর ডায়ালগ কবিতার পরিপন্থী – এই ধরণের কথা হয়, হয়েছিল একদা আশিতে । বারোটা বাজে আর আমি তুই বলি, তুমি বলি, ব্যবহার করব না করব না করেও আপনিতে পৌঁছে একটু হাঁপিয়ে জল খাই, ইতস্তত করি, প্যান্টের পকেটে হাত ঢুকিয়ে হাল্কা চুলকে নিই ক্রিয়াপদে ঘুঙ্গুর বাজে । বন্ধুরা অনেকে সোজা কবিতা লেখার কথা বলেছিল – সৌমেন, রেণুপদ – আমি কঠিন কবিতা কাকে বলে বুঝি না ওরা সেটা সোজা করে বোঝাতে পারেনি—বেশি নয়, ৩-৪ বছরে টোটাল ঘন্টা দশেক এইসব নিয়ে কথা হয়েছে , এরি মাঝে সিমলিপালে বরফ পড়লো, জাপানে ভূমিকম্প আর নবাবগঞ্জে সেলিম আলির মূর্তি হল – পাখিরা মূর্তি নিয়ে যে কোন বাছবিচার করবে না সেটা জানলেও আশা ছিল, হাজার হোক পক্ষীবিদ তো —
পাখি বলতেই মনে পড়ল—ভাবপ্রবণতা, রবিন রঙের অস্বীকার
অ্যান্ড ডিনায়াল লিডস টু ডিপ্রেশান
অবসাদ
অবসাদ একটি জাঢ্য
অবস্থা
আর গতিহীন কোন কিছুই
প্রতারিত হতে জানে না
এমন কী তা স্বাস্থ্যকর হলেও
হাল্কা হেমন্ত নামে
শীতলতাকে চামড়া পরাতে পরাতে
ভাবি
বাতাসে যে আবেশ থাকবে এ’কথা কেউ কেন জানায়নি
আবেশ যে বাতাস মাত্র এ যদিও জানা ছিল
হাওয়ার আঙ্গিক নিয়ে মাথাব্যথাই
আমাদের খোঁড়া করে তুলল
তার পর অবয়ব তৈরী হয়
অবসাদের
আর অবসাদ এমন অবস্থাপন্ন
জাঢ্যের কারণে
প্রভাবিত হতে ভুলে যায়
ভয় পেতে ভুলে যায় ।
টনটন ফসলে ঢেকে যায় নৌকো
ডুবে যায় আত্মনিগ্রহে
-----------------
আর্যনীলদা, উৎসাহ পেলাম প্রচুর । ক্যানাপে -- একটি স্ন্যাক্স -- ক্র্যাকার বা টোস্ট-এর ওপর ক্যাভিয়ার, চীজ এই সব দিয়ে তৈরী করা-- পারী'তে অ্যাপিটাইজার হিসেবে খুব ব্যবহ্রিত হয় । ইন ফ্যাক্ট গোটা ফরাসী দেশে । ওয়াইন খাওয়ার জন্য খুব ভাল ।
নীলাব্জ তাহলে তৈরী হচ্ছি তোমার পারী যাত্রার । সঞ্চিতা, অকুন্ঠ কৃতজ্ঞতা । শুভ্র, কবিতার শিরোনাম নিয়ে তোর সতেজ, দৃপ্ত উত্তর তোর জাত চেনায় -- তুই পেরিয়ে যাবি সব্বাইকে এই ভবিষ্যবাণী করলাম । রুণা, তুই ছেড়ে আপনি ধরিলেন ! ই-কী ! ডিমোশান করেন ক্যান ?
সান্যালেও কিছু মনে রেখো
ঠাসবুনোটের দেশে ঘোড়ারুগী
আলগাচরিত এক ফেঁসো
।।.....................।।
সর্বনাম ব্যবহারে উদ্দেশ আসে, উদ্দিষ্টের সাথে কথা । বারতা । আর ডায়ালগ কবিতার পরিপন্থী – এই ধরণের কথা হয়, হয়েছিল একদা আশিতে । বারোটা বাজে আর আমি তুই বলি, তুমি বলি, ব্যবহার করব না করব না করেও আপনিতে পৌঁছে একটু হাঁপিয়ে জল খাই, ইতস্তত করি, প্যান্টের পকেটে হাত ঢুকিয়ে হাল্কা চুলকে নিই ক্রিয়াপদে ঘুঙ্গুর বাজে । বন্ধুরা অনেকে সোজা কবিতা লেখার কথা বলেছিল – সৌমেন, রেণুপদ – আমি কঠিন কবিতা কাকে বলে বুঝি না ওরা সেটা সোজা করে বোঝাতে পারেনি—বেশি নয়, ৩-৪ বছরে টোটাল ঘন্টা দশেক এইসব নিয়ে কথা হয়েছে , এরি মাঝে সিমলিপালে বরফ পড়লো, জাপানে ভূমিকম্প আর নবাবগঞ্জে সেলিম আলির মূর্তি হল – পাখিরা মূর্তি নিয়ে যে কোন বাছবিচার করবে না সেটা জানলেও আশা ছিল, হাজার হোক পক্ষীবিদ তো —
পাখি বলতেই মনে পড়ল—ভাবপ্রবণতা, রবিন রঙের অস্বীকার
অ্যান্ড ডিনায়াল লিডস টু ডিপ্রেশান
অবসাদ
অবসাদ একটি জাঢ্য
অবস্থা
আর গতিহীন কোন কিছুই
প্রতারিত হতে জানে না
এমন কী তা স্বাস্থ্যকর হলেও
হাল্কা হেমন্ত নামে
শীতলতাকে চামড়া পরাতে পরাতে
ভাবি
বাতাসে যে আবেশ থাকবে এ’কথা কেউ কেন জানায়নি
আবেশ যে বাতাস মাত্র এ যদিও জানা ছিল
হাওয়ার আঙ্গিক নিয়ে মাথাব্যথাই
আমাদের খোঁড়া করে তুলল
তার পর অবয়ব তৈরী হয়
অবসাদের
আর অবসাদ এমন অবস্থাপন্ন
জাঢ্যের কারণে
প্রভাবিত হতে ভুলে যায়
ভয় পেতে ভুলে যায় ।
টনটন ফসলে ঢেকে যায় নৌকো
ডুবে যায় আত্মনিগ্রহে
-----------------
আর্যনীলদা, উৎসাহ পেলাম প্রচুর । ক্যানাপে -- একটি স্ন্যাক্স -- ক্র্যাকার বা টোস্ট-এর ওপর ক্যাভিয়ার, চীজ এই সব দিয়ে তৈরী করা-- পারী'তে অ্যাপিটাইজার হিসেবে খুব ব্যবহ্রিত হয় । ইন ফ্যাক্ট গোটা ফরাসী দেশে । ওয়াইন খাওয়ার জন্য খুব ভাল ।
নীলাব্জ তাহলে তৈরী হচ্ছি তোমার পারী যাত্রার । সঞ্চিতা, অকুন্ঠ কৃতজ্ঞতা । শুভ্র, কবিতার শিরোনাম নিয়ে তোর সতেজ, দৃপ্ত উত্তর তোর জাত চেনায় -- তুই পেরিয়ে যাবি সব্বাইকে এই ভবিষ্যবাণী করলাম । রুণা, তুই ছেড়ে আপনি ধরিলেন ! ই-কী ! ডিমোশান করেন ক্যান ?
Tuesday, November 15, 2011
এস হে
এস হে
লাবণ্য চেনানো পেরেক
ঘাস ফুলের মত ব্রেক
যে দৃশ্য আমাকে দেখেনি
তার ছায়া ঝুলে আছে
পেড়ে নাও
ছবি করে নাও
ভৌত উটের পাশে
কাঠচাঁপা গাছখানি নিভৃতি পাক
--
এই গান, মহাশূন্যের ওপার থেকে, এই সব ইন্দ্রানুগত ভেসে আসে ধরা ও ধরণী ত্বরা ও তরণী প্রাক মার্কনী –র্যাঁবো, রবি, বারীন – মাতাল, সোনা, হাশিস । নেশা যখন ইন্দ্রিয় পেরিয়ে যায় – বরিশাল থেকে আমিনাবাদ অব্দি হলুদ জলে ওঠে প্রবাহ – যে হলুদ নির্বানের নয়, গর্ভাবস্থা নয়, সুবর্ণাভ গতিচিহ্ন নয় – এক ফেলে আসা ডিকশানের ঘোর ও তার ব্রীড়া ... স্পষ্টত । ট্রামলাইন আমাদের সাবালক হতে দিল না । সমস্ত এসো হে, সমস্ত চিল বরাবর ।
--
অতিক্রম একটি অভ্যাস মাত্র – এই ভাবে ভাবতে পারলে সোজা হয়ে আসে দিনকাল । না বুঝেই নিজেকে পেরিয়ে গিয়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে দেখা যায় – কী ভাবে ঈষৎ ঝুঁকে এগিয়ে আসছি, থেমে অগ্রাহ্য করছি, খিস্তি করছি, ভুলে যেতে চাইছি অতিক্রান্ত রাস্তা ... অধিকন্তু ... সময় পেরিয়ে যাচ্ছে ... আর একটি বৈশাখের জন্য দাবদাহের জন্য গলে যাচ্ছে বিচি ... আহবানকারী গান হয়ে উঠছে ... জন্মাতে ভুলে যাচ্ছি, মরতে ভুলে যাচ্ছি ... গাঢ় মৃন্ময় হয়ে যাচ্ছি ... বৃষ্টি ফিরে যাচ্ছে ... না ভিজিয়ে, না ভিজে ।
লাবণ্য চেনানো পেরেক
ঘাস ফুলের মত ব্রেক
যে দৃশ্য আমাকে দেখেনি
তার ছায়া ঝুলে আছে
পেড়ে নাও
ছবি করে নাও
ভৌত উটের পাশে
কাঠচাঁপা গাছখানি নিভৃতি পাক
--
এই গান, মহাশূন্যের ওপার থেকে, এই সব ইন্দ্রানুগত ভেসে আসে ধরা ও ধরণী ত্বরা ও তরণী প্রাক মার্কনী –র্যাঁবো, রবি, বারীন – মাতাল, সোনা, হাশিস । নেশা যখন ইন্দ্রিয় পেরিয়ে যায় – বরিশাল থেকে আমিনাবাদ অব্দি হলুদ জলে ওঠে প্রবাহ – যে হলুদ নির্বানের নয়, গর্ভাবস্থা নয়, সুবর্ণাভ গতিচিহ্ন নয় – এক ফেলে আসা ডিকশানের ঘোর ও তার ব্রীড়া ... স্পষ্টত । ট্রামলাইন আমাদের সাবালক হতে দিল না । সমস্ত এসো হে, সমস্ত চিল বরাবর ।
--
অতিক্রম একটি অভ্যাস মাত্র – এই ভাবে ভাবতে পারলে সোজা হয়ে আসে দিনকাল । না বুঝেই নিজেকে পেরিয়ে গিয়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে দেখা যায় – কী ভাবে ঈষৎ ঝুঁকে এগিয়ে আসছি, থেমে অগ্রাহ্য করছি, খিস্তি করছি, ভুলে যেতে চাইছি অতিক্রান্ত রাস্তা ... অধিকন্তু ... সময় পেরিয়ে যাচ্ছে ... আর একটি বৈশাখের জন্য দাবদাহের জন্য গলে যাচ্ছে বিচি ... আহবানকারী গান হয়ে উঠছে ... জন্মাতে ভুলে যাচ্ছি, মরতে ভুলে যাচ্ছি ... গাঢ় মৃন্ময় হয়ে যাচ্ছি ... বৃষ্টি ফিরে যাচ্ছে ... না ভিজিয়ে, না ভিজে ।
Monday, November 7, 2011
ব্লেডলিখিত সত্তাচিহ্ন
২৫
চকিত শরীর থেকে দূরে গিয়ে দেখো
শব্দগুলো জড়ো হয়ে আছে
খাতার পিছনে ভাঙা অভ্যেসের জড়তামাখা
ম্লান গাভী, কুয়াশার কাচ একটানা বয়সের দিকে চেয়ে
তোমারই বয়সী শব্দ নষ্ট কোষ
নগ্ন কলা পেরেকের ঝকঝকে বুননে
নির্মাণ হয়েছে পথ ঔজ্জ্বল্য উদাসে
অথচ সেইসব বইয়ের দোকানে দামি বই
না-ঘুম রাত পার করে অপেক্ষা করত
শহর ফাঁকা হয়ে কোনও হঠাৎ গানের রোববার
মেয়েরাও তো দাঁড়াতো বলো,
এখন ক্যালেন্ডারের পাতা দ্রুত পড়তে থাকে
এই পাতিলেবু বিকেলে, সময়টা ভোগ্য
তার অবিন্যাসে সঁপে দেওয়া
নিজের কীটনাশক স্নায়ুকে তুমি
কতটা দোষ দিতে পারো?
এখন কিসে বিশ্বাস করো?
রেকর্ড-প্লেয়ার-গ্রুভ বাবার দুপুর?
ছড়ানো বাড়িটা থেকে দূরে বসে
সতীনাথ মুখার্জি ভালো লাগে কেন?
কমে আসা স্পেস চিহ্ন, ঘন সন্নবাঁধা
ডাক্তারি রিপোর্ট ছাড়া না কাঁপা স্পন্দন নিয়ে
লেখা কোন দিকে চলেছে?
২৫
চকিত শরীর থেকে দূরে গিয়ে দেখো
শব্দগুলো জড়ো হয়ে আছে
খাতার পিছনে ভাঙা অভ্যেসের জড়তামাখা
ম্লান গাভী, কুয়াশার কাচ একটানা বয়সের দিকে চেয়ে
তোমারই বয়সী শব্দ নষ্ট কোষ
নগ্ন কলা পেরেকের ঝকঝকে বুননে
নির্মাণ হয়েছে পথ ঔজ্জ্বল্য উদাসে
অথচ সেইসব বইয়ের দোকানে দামি বই
না-ঘুম রাত পার করে অপেক্ষা করত
শহর ফাঁকা হয়ে কোনও হঠাৎ গানের রোববার
মেয়েরাও তো দাঁড়াতো বলো,
এখন ক্যালেন্ডারের পাতা দ্রুত পড়তে থাকে
এই পাতিলেবু বিকেলে, সময়টা ভোগ্য
তার অবিন্যাসে সঁপে দেওয়া
নিজের কীটনাশক স্নায়ুকে তুমি
কতটা দোষ দিতে পারো?
এখন কিসে বিশ্বাস করো?
রেকর্ড-প্লেয়ার-গ্রুভ বাবার দুপুর?
ছড়ানো বাড়িটা থেকে দূরে বসে
সতীনাথ মুখার্জি ভালো লাগে কেন?
কমে আসা স্পেস চিহ্ন, ঘন সন্নবাঁধা
ডাক্তারি রিপোর্ট ছাড়া না কাঁপা স্পন্দন নিয়ে
লেখা কোন দিকে চলেছে?
Sunday, November 6, 2011
ব্লেডলিখিত সত্তাচিহ্ন
শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
১৭
নিশপিশ করে ওঠে বন্ধুত্ব ভাঙা কাচ
স্তব্ধ মিনারের দিকে সহজ ঔজ্জ্বল্য
আমরা ভেদ করতে পারিনা
অনচ্ছ হলুদ আভা ছন্দ ঠিকরে
ধেবড়ে গেছে ভাষার দেয়ালে –
অথচ কত সহজে লিখে ফেলা যেত
কেমিস্ট্রি বইয়ের ফাঁকে লাল পাতা
শুকনো ঝরা ব্লেড
সম্ভাবনাময় শিরা
আমিতো এড়িয়ে গেছি, বলো,
কতদিন তোমাদের সঙ্গে নিশ্চিন্তে বসে
বারান্দায় পরিব্যাপ্ত কফি
মাথা নামিয়ে বসে থাকা পার্কে কোথায় যায়?
এইসব সরু লাইন নিভৃত কুকুর হয়ে
নীলিমা ঔদাস্যে কাকে চায়?
এই দীর্ঘ দুপুর, ভিজে বালিতে গা ডুবিয়ে থাকা?
১৮
অথচ যেটা চেয়েছি সেটা পাথরের উপরে
ধাপ ভেঙে উঠে গেলে
শ্যাওলা ও জল ভাঙা নৈঃশব্দ্যে
পৃথিবীর স্পর্শের বাইরে
তবু আমাদের হাতে একটা বই
এই জায়গাটার কোনও ইতিহাস নেই গাছ ছাড়া
পুরনো বলতে কোনও দিগ্বিজয়ী রাজা
বা তার পুরনো সংগ্রহশালার সামনে বসে
শিহরন? অবশিষ্ট নেই
চোখেমুখে জল ঝাপটা
কুয়াশার ব্লেডরংবিলাসী জল
২০
অথচ লেখাগুলোর নরম হওয়ার কথা ছিলনা
এই সময়ের রোদ সে তো টানটান প্রতিশ্রুতি
– ছাদে লেপ উত্তাপে দিচ্ছে মা –
ডিসেম্বর তো জড়ানো থাকে মজ্জার স্টিলে
অনুতরঙ্গের সবুজ সময় উচ্ছ্বাসে
তারপর কী? মরুটিলার ওপর
আক্রমণ করে বেঁটে স্পোর্টসকারের ঝাঁক?
কাঁকড়া বিছে ডুবে যায় বালিতে?
বালি তো শরীর, জেদি লাল পাথর কতদিন
জাগিয়ে রাখে প্রতিরোধ?
পাখির শিকারি ঠোঁট থেকে ঠিকরে পড়ে মাংস
থ্যাঁতলানো লেখা, ম্লান রক্তিম
মুখ ঘুরিয়ে নেবে বলো, ঠিক যেভাবে
বৃদ্ধ মানুষের বিকেলের পার্কে বসে থাকা?
২১
দৌড়চ্ছি ইঁটের গলি
লাল গতিহীন প্রস্তরতা একটু পরে মিশে যাবে
স্থির বৃষ্টি থেমে থাকা পানা থকথক পুকুর
হাত ডুবিয়ে লেগে গেছে সবুজ চূর্ণ অথচ
কলেজ যাওয়া আটকে নেই
পূর্ণিমার আঁশ ও একটু শহরে গিটার নিয়ে
প্রতিভাবান মঞ্চে আলোকিত
আমরা অকস্মাত ঢুকে গেছি সেদিন চৈত্রমাস
দূরে তেপান্তর গানটাই কি নচিকেতা?
ফিরে এলে মিথ্যা ও অসীমের মাঝে আর্তনাদের
রেশের মত জেগে আছে পাড়াটা
তখনও কাঁপছে চামড়া, নির্গত শব্দগুচ্ছ
ফিরবেনা জেনে নির্মিত হয়েছে
একটা পার্ক, কেন্দ্রে
২২
এভাবে নিজেদের কী ফিসফিস করি?
শাসকদল নিস্পৃহ মৃতদেহ ফেলে গেলে
শহুরে বন্ধুরা বিশ্বাস করেনা?
জমাট হাওয়ার পাশে শীতল তো আমি চাইনি
শুধু হাড় আঙুলে নিজস্ব বাঁক নিলে
হাত নিজে থেকে কিছু আঁকড়াতে চায়...
সামনে প্রস্তর নির্মাণে একটানা ক্ষয়
বুকের ভিতরে শুকনো রাস্তা আঁচড়ে
কুকুরদিন কী পায়?
২৩
সেই প্রস্তরতা খুঁজি এখন কোথাও
শীতের গায়ে জমাট পালকের স্তূপ হয়ে আছে
দূরের শহর... হয়ত শব্দটাকেই প্রিয় ঋতু মনে হয়
প্রিয়তা কোথায় যায়? এখন এই অক্টোবরে
ভেসে যাওয়া দেশে পুরনো গান শুনে
কেই বা রোদ্দুর?
২৪
তবুও সেইসব রাস্তাগুলো সহজে ভেঙে দিতে পারোনা
পাশ কাটানো নোংরায় দাঁড়াতে বলিনা, সামঞ্জস্যপূর্ণ,
যখনকার যেমন, পার্কে পেশাদার মালির মধ্যেই তো ছায়া!
ঢুকে যাও, প্যাকেটের মশলা কৌটয় স্বাভাবিক।
এইসব আয়নায় পারদ ওঠেনা
কেউ কি বলল?
অথচ পাথর ছিল
সমুদ্রের নুন লেগে পিছল মাতৃভাষা
একবারই মুখ থুবড়ে রক্ত শ্যাওলা মাখামাখি
উঠে এসেছিলে ঘরে, পতনকালে কি
আঁকড়ানো পাথরটা ছেড়ে দিতে পারতে?
শিথিলতা ঘষটে সহজেই এসে যেত
শ্রুতি-দর্শ-স্পর্শহীনতা
কে ছিল তখন?
আঁচড় ছাড়া রাতই কি প্রস্তরতা?
ঠিক কি কারণে ফিরেছিলে?
এই বালি ধর্ম ব্লেডের ওপরে
অতিদ্রুত চলে যাওয়া শোণিত ধারালো সাপ
কেন চেনোনা?
শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
১৭
নিশপিশ করে ওঠে বন্ধুত্ব ভাঙা কাচ
স্তব্ধ মিনারের দিকে সহজ ঔজ্জ্বল্য
আমরা ভেদ করতে পারিনা
অনচ্ছ হলুদ আভা ছন্দ ঠিকরে
ধেবড়ে গেছে ভাষার দেয়ালে –
অথচ কত সহজে লিখে ফেলা যেত
কেমিস্ট্রি বইয়ের ফাঁকে লাল পাতা
শুকনো ঝরা ব্লেড
সম্ভাবনাময় শিরা
আমিতো এড়িয়ে গেছি, বলো,
কতদিন তোমাদের সঙ্গে নিশ্চিন্তে বসে
বারান্দায় পরিব্যাপ্ত কফি
মাথা নামিয়ে বসে থাকা পার্কে কোথায় যায়?
এইসব সরু লাইন নিভৃত কুকুর হয়ে
নীলিমা ঔদাস্যে কাকে চায়?
এই দীর্ঘ দুপুর, ভিজে বালিতে গা ডুবিয়ে থাকা?
১৮
অথচ যেটা চেয়েছি সেটা পাথরের উপরে
ধাপ ভেঙে উঠে গেলে
শ্যাওলা ও জল ভাঙা নৈঃশব্দ্যে
পৃথিবীর স্পর্শের বাইরে
তবু আমাদের হাতে একটা বই
এই জায়গাটার কোনও ইতিহাস নেই গাছ ছাড়া
পুরনো বলতে কোনও দিগ্বিজয়ী রাজা
বা তার পুরনো সংগ্রহশালার সামনে বসে
শিহরন? অবশিষ্ট নেই
চোখেমুখে জল ঝাপটা
কুয়াশার ব্লেডরংবিলাসী জল
২০
অথচ লেখাগুলোর নরম হওয়ার কথা ছিলনা
এই সময়ের রোদ সে তো টানটান প্রতিশ্রুতি
– ছাদে লেপ উত্তাপে দিচ্ছে মা –
ডিসেম্বর তো জড়ানো থাকে মজ্জার স্টিলে
অনুতরঙ্গের সবুজ সময় উচ্ছ্বাসে
তারপর কী? মরুটিলার ওপর
আক্রমণ করে বেঁটে স্পোর্টসকারের ঝাঁক?
কাঁকড়া বিছে ডুবে যায় বালিতে?
বালি তো শরীর, জেদি লাল পাথর কতদিন
জাগিয়ে রাখে প্রতিরোধ?
পাখির শিকারি ঠোঁট থেকে ঠিকরে পড়ে মাংস
থ্যাঁতলানো লেখা, ম্লান রক্তিম
মুখ ঘুরিয়ে নেবে বলো, ঠিক যেভাবে
বৃদ্ধ মানুষের বিকেলের পার্কে বসে থাকা?
২১
দৌড়চ্ছি ইঁটের গলি
লাল গতিহীন প্রস্তরতা একটু পরে মিশে যাবে
স্থির বৃষ্টি থেমে থাকা পানা থকথক পুকুর
হাত ডুবিয়ে লেগে গেছে সবুজ চূর্ণ অথচ
কলেজ যাওয়া আটকে নেই
পূর্ণিমার আঁশ ও একটু শহরে গিটার নিয়ে
প্রতিভাবান মঞ্চে আলোকিত
আমরা অকস্মাত ঢুকে গেছি সেদিন চৈত্রমাস
দূরে তেপান্তর গানটাই কি নচিকেতা?
ফিরে এলে মিথ্যা ও অসীমের মাঝে আর্তনাদের
রেশের মত জেগে আছে পাড়াটা
তখনও কাঁপছে চামড়া, নির্গত শব্দগুচ্ছ
ফিরবেনা জেনে নির্মিত হয়েছে
একটা পার্ক, কেন্দ্রে
২২
এভাবে নিজেদের কী ফিসফিস করি?
শাসকদল নিস্পৃহ মৃতদেহ ফেলে গেলে
শহুরে বন্ধুরা বিশ্বাস করেনা?
জমাট হাওয়ার পাশে শীতল তো আমি চাইনি
শুধু হাড় আঙুলে নিজস্ব বাঁক নিলে
হাত নিজে থেকে কিছু আঁকড়াতে চায়...
সামনে প্রস্তর নির্মাণে একটানা ক্ষয়
বুকের ভিতরে শুকনো রাস্তা আঁচড়ে
কুকুরদিন কী পায়?
২৩
সেই প্রস্তরতা খুঁজি এখন কোথাও
শীতের গায়ে জমাট পালকের স্তূপ হয়ে আছে
দূরের শহর... হয়ত শব্দটাকেই প্রিয় ঋতু মনে হয়
প্রিয়তা কোথায় যায়? এখন এই অক্টোবরে
ভেসে যাওয়া দেশে পুরনো গান শুনে
কেই বা রোদ্দুর?
২৪
তবুও সেইসব রাস্তাগুলো সহজে ভেঙে দিতে পারোনা
পাশ কাটানো নোংরায় দাঁড়াতে বলিনা, সামঞ্জস্যপূর্ণ,
যখনকার যেমন, পার্কে পেশাদার মালির মধ্যেই তো ছায়া!
ঢুকে যাও, প্যাকেটের মশলা কৌটয় স্বাভাবিক।
এইসব আয়নায় পারদ ওঠেনা
কেউ কি বলল?
অথচ পাথর ছিল
সমুদ্রের নুন লেগে পিছল মাতৃভাষা
একবারই মুখ থুবড়ে রক্ত শ্যাওলা মাখামাখি
উঠে এসেছিলে ঘরে, পতনকালে কি
আঁকড়ানো পাথরটা ছেড়ে দিতে পারতে?
শিথিলতা ঘষটে সহজেই এসে যেত
শ্রুতি-দর্শ-স্পর্শহীনতা
কে ছিল তখন?
আঁচড় ছাড়া রাতই কি প্রস্তরতা?
ঠিক কি কারণে ফিরেছিলে?
এই বালি ধর্ম ব্লেডের ওপরে
অতিদ্রুত চলে যাওয়া শোণিত ধারালো সাপ
কেন চেনোনা?
আজেবাজে কিছু মস্কো-রা
(বেশ কিছুদিন লিখি না-- হাতে মর্চে, ভাবনার জন্য সময়ও পাচ্ছি না -- তবু লিখতে ইচ্ছে করল -- আর্যনীলদা পারী থেকে ঘুরে এল -- আমার কাছে এই এক শহর -- একমাত্র শহর যেখানে আমরা দুজনেই ঘুরেছি ট্যুরিস্ট হিসেবে । আমি বউ বাচ্চা সমেত, আর্যনীলদা স্বাধীনতা সমেত)
দৃশ্য ভাবায় না
যেখানে ভাব ছিল না
সেখানে দাঁড়ালাম দেখলাম
দৃশ্য একটা স্টীয়ারিং মাত্র
ফলে সব এলোমেলো লাগে
দেখি
বার্তা ঘাড় থেকে ঝেড়ে হেঁটে যাচ্ছে কথা
১০ বছর আগেকার পারীকে
ভাবতে ভাবতে আর্যনীলকে জিগ্যেস করি
নোতরদামের ঝোপের চড়াইগুলো কী এখনো
উড়ছে
জর্জ ক্লুনির মত দেখতে গৃহহীন
কী এখনো তাদের খাইয়ে দেয়
আইফেল টাওয়ারের পূবদিকের বাড়িগুলোর
বারান্দায় ঝুলন্ত টব থেকে লতা
আর দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময়কার
জলীয় ওয়াইনে দারচিনি দিয়ে ফুটিয়ে নেবার অভ্যাস
পারীতে তখন বেশ গরম ছিল
সীজনেও
চলাচল বেশী ছিল
সময় যেভাবে সময়কে অতিক্রম করে
অবস্থান যে ভাবে নিরুপায়
ঘাড় গুঁজে থাকে
সেভাবে কাফে ভরে ছিল ক্যানাপে
মমার্তের ক্যারুসেল বন্ধ ছিল
ক্যামেরুণী ছোকরারা সুতোর তাবিজ বাঁধছিল
ভার্সাইয়ের ট্রেনে কাক ভিড় করেছিল
আমাদের চলাচল পাক্কা ট্যুরিস্টের মত ছিল
নীল মোরামের ওপর ঘুড়ির মুখোশ পড়ে ছিল
ঘুড়ি উড়ছিল
পায়রাদের সাথে পাল্লা দিয়ে
ছোটা ইমামবাড়ার উল্টোদিকের
সূর্যাস্তকে ডিসটর্ট করে
ঘুড়িটি সত্য
আমি সত্যের কাছে দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম
উড়ে যাওয়া—শুধু এক জরুরী অবস্থা
সাতাত্তুরে মানুষেরা জানে
ব্যবস্থা ছাড়া কোন অবস্থাই
সত্য নয়
সময়, অবস্থান
ঘুড়ি
কথা
দৃশ্য ভাবায় না
যেখানে ভাব ছিল না
সেখানে দাঁড়ালাম দেখলাম
দৃশ্য একটা স্টীয়ারিং মাত্র
ফলে সব এলোমেলো লাগে
দেখি
বার্তা ঘাড় থেকে ঝেড়ে হেঁটে যাচ্ছে কথা
১০ বছর আগেকার পারীকে
ভাবতে ভাবতে আর্যনীলকে জিগ্যেস করি
নোতরদামের ঝোপের চড়াইগুলো কী এখনো
উড়ছে
জর্জ ক্লুনির মত দেখতে গৃহহীন
কী এখনো তাদের খাইয়ে দেয়
আইফেল টাওয়ারের পূবদিকের বাড়িগুলোর
বারান্দায় ঝুলন্ত টব থেকে লতা
আর দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময়কার
জলীয় ওয়াইনে দারচিনি দিয়ে ফুটিয়ে নেবার অভ্যাস
পারীতে তখন বেশ গরম ছিল
সীজনেও
চলাচল বেশী ছিল
সময় যেভাবে সময়কে অতিক্রম করে
অবস্থান যে ভাবে নিরুপায়
ঘাড় গুঁজে থাকে
সেভাবে কাফে ভরে ছিল ক্যানাপে
মমার্তের ক্যারুসেল বন্ধ ছিল
ক্যামেরুণী ছোকরারা সুতোর তাবিজ বাঁধছিল
ভার্সাইয়ের ট্রেনে কাক ভিড় করেছিল
আমাদের চলাচল পাক্কা ট্যুরিস্টের মত ছিল
নীল মোরামের ওপর ঘুড়ির মুখোশ পড়ে ছিল
ঘুড়ি উড়ছিল
পায়রাদের সাথে পাল্লা দিয়ে
ছোটা ইমামবাড়ার উল্টোদিকের
সূর্যাস্তকে ডিসটর্ট করে
ঘুড়িটি সত্য
আমি সত্যের কাছে দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম
উড়ে যাওয়া—শুধু এক জরুরী অবস্থা
সাতাত্তুরে মানুষেরা জানে
ব্যবস্থা ছাড়া কোন অবস্থাই
সত্য নয়
সময়, অবস্থান
ঘুড়ি
কথা
পারীতে লেখা কবিতা - মপার্নাস
আচমকা টান পড়েছিলো জলমগ্ন ছিপে
আর কোথাকার মাছ এখন কোথায়
জীবনের কোথায় কি ঘটেছিলো সব তো জানা যায় না
শুধু বয়সকালের বুরুশটান এক সেজানের কথা বলছে
যার মিহির প্রয়োজন এখন কম সময় কম
সঠিক রঙ অভিব্যক্তি পরিমিতি চায় মোটা ঘষাটান
রঙ্গঝর্নার অনর্গল এক কুলকুচি ভূদৃশ্যের পেছন যে মা প্রকৃতি
তার বেয়াদপ রঙ্গিন ছেলে
অনুশাসন তবু থেকে যাচ্ছে
পরাজয়
টেকনিক ছেড়ে দিলে কি থাকে ছায়াবাদীদের বুর্জোয়া ছবিতে
একমাত্র গিয়ামোঁ ছাড়া
প্রজন্মের পর প্রজন্ম অধিবাস্তব কবিতা
ব্যকরণ ভাষা নিয়ে কিছুই করেনি
মাইল মাইল খুঁজে রু কাম্পেন-প্রেমিয়েরের মুখে আমি
যে রাস্তায় ৫২ বছর আগে মিশেল পোয়াকার তার শেষ ছুট
গুলি খাওয়া শেষ রীল
তাবৎ পরীক্ষার পরেও নবতরঙ্গ গোদার একটা গোদা গল্প বলে
নিয়মভাঙার নিরাপদ আস্তানা অপরাধপ্রবণতা
রুদ্ধশ্বাস থ্রিলার
বিধি আছে থাকবে
আমার গণিত তার অভিকর্ষ খুঁজে পাবে
পায়
আর কোথাকার মাছ এখন কোথায়
জীবনের কোথায় কি ঘটেছিলো সব তো জানা যায় না
শুধু বয়সকালের বুরুশটান এক সেজানের কথা বলছে
যার মিহির প্রয়োজন এখন কম সময় কম
সঠিক রঙ অভিব্যক্তি পরিমিতি চায় মোটা ঘষাটান
রঙ্গঝর্নার অনর্গল এক কুলকুচি ভূদৃশ্যের পেছন যে মা প্রকৃতি
তার বেয়াদপ রঙ্গিন ছেলে
অনুশাসন তবু থেকে যাচ্ছে
পরাজয়
টেকনিক ছেড়ে দিলে কি থাকে ছায়াবাদীদের বুর্জোয়া ছবিতে
একমাত্র গিয়ামোঁ ছাড়া
প্রজন্মের পর প্রজন্ম অধিবাস্তব কবিতা
ব্যকরণ ভাষা নিয়ে কিছুই করেনি
মাইল মাইল খুঁজে রু কাম্পেন-প্রেমিয়েরের মুখে আমি
যে রাস্তায় ৫২ বছর আগে মিশেল পোয়াকার তার শেষ ছুট
গুলি খাওয়া শেষ রীল
তাবৎ পরীক্ষার পরেও নবতরঙ্গ গোদার একটা গোদা গল্প বলে
নিয়মভাঙার নিরাপদ আস্তানা অপরাধপ্রবণতা
রুদ্ধশ্বাস থ্রিলার
বিধি আছে থাকবে
আমার গণিত তার অভিকর্ষ খুঁজে পাবে
পায়
Saturday, November 5, 2011
Thursday, October 13, 2011
স্মৃতিলেখা - আরো
আসক্তি এক ঝুলন্ত অবস্থাকে চায়
ক্যান্টিলিভার -
যার শেষে কেউ নেই
সন্ধ্যার কাঠামো বোর্খায় কালো
শুধু মুখের দেদীপ্যমানা
প্রকাশিত
যে বারান্দা
গড়াতে গড়াতে
বনের মজ্জাকে নীল স্প্রুসকে কালোর দীপ্তিতে একাকী
যোগাযোগ ব্যবস্থা এভাবেই পুনরুজ্জীবিত
যখন সব ঘরে বিদ্যুত আসছে
এমনকি তুলসীতলায়
পিলিয়ন রাইডার হচ্ছে রীনা ব্রাউন
আর এই অসমাপ্ত পথ যদি না শেষ হয়
যদি বাংলা গানের ধারাবাহিকতা
এসে বলে - গভীরে যাও
আরো গভীরে যাও
তবে কেমন হতো বলোতো ?
তবুও কি ক্যান্টিলিভার জঙ্গলে এনে দিতো অসমাপ্ত ?
তবুও কি এ বাড়ির সব ঘরে সারাক্ষণ
শতজল ঝর্ণার ধ্বনি প্রবাহিত ?
আর আমরা কলেজ স্ট্রীটে
বিমূর্তের প্রকাশনালয়ে
সারাদুপুর লাইন দিয়ে
কিনে নিতাম অনুপমের মানে বই ?
ক্যান্টিলিভার -
যার শেষে কেউ নেই
সন্ধ্যার কাঠামো বোর্খায় কালো
শুধু মুখের দেদীপ্যমানা
প্রকাশিত
যে বারান্দা
গড়াতে গড়াতে
বনের মজ্জাকে নীল স্প্রুসকে কালোর দীপ্তিতে একাকী
যোগাযোগ ব্যবস্থা এভাবেই পুনরুজ্জীবিত
যখন সব ঘরে বিদ্যুত আসছে
এমনকি তুলসীতলায়
পিলিয়ন রাইডার হচ্ছে রীনা ব্রাউন
আর এই অসমাপ্ত পথ যদি না শেষ হয়
যদি বাংলা গানের ধারাবাহিকতা
এসে বলে - গভীরে যাও
আরো গভীরে যাও
তবে কেমন হতো বলোতো ?
তবুও কি ক্যান্টিলিভার জঙ্গলে এনে দিতো অসমাপ্ত ?
তবুও কি এ বাড়ির সব ঘরে সারাক্ষণ
শতজল ঝর্ণার ধ্বনি প্রবাহিত ?
আর আমরা কলেজ স্ট্রীটে
বিমূর্তের প্রকাশনালয়ে
সারাদুপুর লাইন দিয়ে
কিনে নিতাম অনুপমের মানে বই ?
স্মৃতিলেখা - শুরুটা
একদিন চা করছি
তখন যে ভোর হলো
সেখানে সব গাছ পোড়া পোড়া
তার যে ধোঁয়া ভিজে ভিজে
নামান্তরে কুয়াশা
তার লিপিবদ্ধ চিরে আমার পেছনের বাগানে
একটা মা-হরিণ এসেছিলো সঙ্গে তার পাঁচ মেয়ে
তারা কেন এসেছিলো সে তোমাকে বলতে পারবোনা
কেউই পারবেনা
আমার কি মনে হলো সেটাই বলি ?
... ... ...
তখন যে ভোর হলো
সেখানে সব গাছ পোড়া পোড়া
তার যে ধোঁয়া ভিজে ভিজে
নামান্তরে কুয়াশা
তার লিপিবদ্ধ চিরে আমার পেছনের বাগানে
একটা মা-হরিণ এসেছিলো সঙ্গে তার পাঁচ মেয়ে
তারা কেন এসেছিলো সে তোমাকে বলতে পারবোনা
কেউই পারবেনা
আমার কি মনে হলো সেটাই বলি ?
... ... ...
Subscribe to:
Posts (Atom)